কলকাতা: লকডাউন ও আমফানের জোড়া ধাক্কায় দক্ষিণবঙ্গ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। লকডাউন এর জন্য অনেকেরই রোজগার বন্ধ বহুদিন ধরে। আর অন্যদিকে আমফানের দাপটে ঘর হারিয়েছেন অনেকে। তাই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে ত্রাণ নিয়ে পৌঁছলেন অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। আমফান দুর্গত মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন তিনি। সায়নীর সঙ্গে এই উদ্যোগে সামিল ছিলেন সঙ্গীত পরিচালক তথা গায়ক প্রসেন।

সায়নী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বিষয়টি জানিয়েছেন। ক্যানিং এর ৫০টি পরিবারকে ত্রাণ দিয়ে সাহায্য করেছেন সায়নী, প্রসেন ও তাঁদের বন্ধুরা। ১২ জুন একটি ভিডিও পোস্ট করেন সায়নী। সেখানে দেখা যাচ্ছে সকলে মিলে তারা ত্রাণ সামগ্রী গোছাচ্ছে ন। ত্রাণের মধ্যে রয়েছে ডাল, আটা, সরষের তেল, চিড়ে, মুড়ি, বাতাসা, ছাতু, সোয়াবিন, বিস্কুট, সাবান, হ্যান্ডমেড গামছা মাস্ক। যাঁরা এই ত্রণে অনুদান করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

ত্রাণ নিয়ে সায়নী ও তার বন্ধুরা পৌঁছে যান ক্যানিং এ। সেখানে গিয়ে ৫০ টি পরিবারের হাতে ত্রাণ তুলে দেন। সেই ভিডিও রবিবার পোস্ট করেছেন সায়নী। ক্যাপশনে প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। তাঁদের ত্রাণ তহবিলে অনুদান করেছেন গায়ক অরিজিত সিং, প্রযোজক মহেন্দ্র সোনি, অভিনেত্রী অনন্যা চট্টোপাধ্যায় সহ আরো অনেকে।

ক্যাপশনে সায়নী লিখেছেন, “ক্যানিংয়ের পঞ্চাশটি পরিবারের কাছে পৌছিয়ে কিছু ড্রাই রেশন তুলে দিলাম। গ্রামের মানুষরা যেভাবে হাসিমুখে আমাদের স্বাগত জানালেন তাতে আমরা সত্যিই খুব উচ্ছ্বসিত ছিলাম। এমন দুর্দিনও তাদের হাসিমুখে কথা বলা কে বাধা দিতে পারেনা।”

প্রসঙ্গত, অন্যান্য তারকারাও এই দুর্দিনে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি এলাকায় গিয়ে স্বাস্থ্য শিবির মানুষের চিকিৎসা করেছেন। ১৪ বছর আগে চিকিৎসার পেশা ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এই দুর্দিনে আবার হাতে স্টেথোস্কোপ তুলে নিয়েছেন পরিচালক।

অন্যদিকে অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ তাঁর বন্ধুদের নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন সুন্দরবন। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে সে কথা নিজেই জানিয়েছেন রুদ্রনীল। সুন্দরবনের মোট পাঁচটি গ্রামে ত্রাণ দিয়ে সাহায্য করেছেন তারা। গ্রামের মানুষকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ডওয়াশ, চাল ডাল ইত্যাদি দিয়ে সাহায্য করেছেন রুদ্রনীল ও তাঁর বন্ধুরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.