মুম্বই: সোশ্যাল মিডিয়ায় হঠাৎ খবর ছড়ায়, বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মুমতাজ প্রয়াত হয়েছেন। কিন্তু সেই খবর নিজেই ওড়ালেন অভিনেত্রী। শুক্রবার মুমতাজ নিজেই জানালেন তিনি ভালো আছেন। লন্ডনে মেয়ে ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে থাকেন মুমতাজ। সেখান থেকেই ভক্তদের জানালেন তিনি ভালো আছেন। ৭৩ বছর বয়সী অভিনেত্রীর মেয়ে তন্যা মাধবনী ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করেন।

সেই ভিডিওতেই মুমতাজ জানান, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। প্রয়াত হওয়ার খবর ভুল। মুমতাজ বলেন, প্রিয় ভক্তরা। আমি তোমাদের খুব ভালোবাসি। দেখতে পাচ্ছেন! আমি মারা যাইনি। আমি জীবিত আছি এবং অতটাই বুড়ি হইনি যেমনটা লোকে বলে। আপনাদের সকলের আশীর্বাদে আমাকে এখনও দেখতে খারাপ নয়।

এই ভিডিওর সঙ্গে মুমতাজের মেয়ে তন্যা লেখেন, আমার মায়ের তরফ থেকে তাঁর ভক্তদের উদ্দেশে বলছি। তাঁর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছে যেটি সম্পূর্ণ ভুল এবং তিনি খুব ভালো আছেন। বেশ কয়েরবছর আগে তিনি যখন ক্যানসারের সঙ্গে লড়.ছেন তখন তাঁকে বয়স্ক দেখতে লাগছে বলে কিছু ছবি ছড়ায়। তিনি এখনও সুস্থ, সুখী ও সুন্দরী রয়েছেন।

একটু রেহাই করুন। ওঁর বয়স এখন ৭৩। ২০১০ সালে তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। গত বছরও তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়ায়। তখনও জানানো হয় যে এই খবর সম্পূর্ণ ভুল। ৬ এর দশকের অন্যতম অভিনেত্রী মুমতাজ। তাঁর উল্লেখ্য ছবিগুলি হল হরে কৃষ্ণ হরে রাম, তেরে মেরে সপ্নে, রাম অওর শ্যাম, লোফার, আদমি অওর ইনসান, আপনা দেশ, প্রেম কাহানি ইত্যাদি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I