মুম্বই: সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু রহস্যের এখনো কোনো সমাধানে পৌঁছতে পারেনি কোন তদন্তকারী সংস্থা। এই মুহূর্তে প্রয়াত অভিনেতা মৃত্যুর তদন্ত রয়েছে সিবিআই ও ইডির হাতে। এরইমধ্যে সুশান্তের বন্ধু সিদ্ধার্থ গুপ্তা কিছু তথ্য প্রকাশ্যে আনলেন। সিদ্ধার্থ জানিয়েছেন, সুশান্ত সবসময় নতুন রকমের ভাবনা চিন্তা নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসতেন।

সুশান্তের সঙ্গে একসময় থাকতেন সিদ্ধার্থ। কিভাবে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয় তা তাকে শিখিয়েছিলেন প্রয়াত অভিনেতা। সিদ্ধার্থ বলছেন, “আমি ওর সান্নিধ্য পাওয়ায় নিজেকে খুবই ভাগ্যবান মনে করি। সুশান্ত এমন এক ধরনের মানুষ যার সম্পর্কে ভেবে সারা জীবন কাটানো যায়। ও কী ভাবে বা বলে তা বহু মানুষ বুঝতে পারেননি। ও মানুষকে এত ভালবাসত অনেক সময় তা দেখে সন্দেহ জাগত।”

মৃত্যুর ৫দিন আগে সুশান্ত সিদ্ধার্থ ও আরেক বন্ধু কুশাল জাভেরি কে একটি মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। সুশান্ত বলেছিলেন যে আধ্যাত্বিকতা মেনে নিজেকে নিয়ে কিছু কাজ করছেন তিনি। সিদ্ধার্থ ও কুশালের সঙ্গে সে সময় তিনি দেখা করতে চেয়ে ছিলেন। সেই বার্তা দেখে কিছুটা সন্দেহ হয়েছিল সিদ্ধার্থের।

বিষয়টি নিয়ে কুশালের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, “এই মেসেজ যখন এসেছিল আমি তখন কুশালের সঙ্গে কথা বলছিলাম। আমি বলেছিলাম কিছু একটা হয়েছে। তখন কুশাল সুশান্তকে মেসেজ করে বলেছিলেন শীঘ্রই আমরা দেখা করব। আমরা যা যা করতাম সেগুলোই আবার করব।”

সিদ্ধার্ত জানিয়েছেন যে তিনি সুশান্তের ভাবনা চিন্তার জগতে ঢুকতে চাননি। ‌ কিন্তু ওই মেসেজ পড়ে তার মনে হয়েছিল কিছু একটা হয়েছে। তবে তিনি ভেবেছিলেন কিছুদিনের মধ্যেই সুশান্তের সঙ্গে দেখা হবে। কিন্তু তা আর হলো না।

৫ দিন পর ১৪ জুন বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয় সুশান্ত সিং রাজপুত এর মৃতদেহ। ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই, এনসিবি এবং ইডি। মাদকচক্র এই ঘটনায় একটি বড় ভূমিকা পালন করে। তার জন্য গ্রেফতার করা হয়েছিল সুশান্তের বান্ধবী তথা অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।