রাবর তিনি স্পষ্টবক্তা। তাঁর সাহসী মন্তব্য অনেক সময়ই টলিউডে ঝড় তুলেছে। তাঁকে নিয়ে ইন্ড্রাস্ট্রিতে গসিপও কম নয়। এবার সেই গসিপে জল ঢাললেন তিনি! মেয়েদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক থেকে নোট বাতিল, সব প্রশ্নের উত্তরে ঠোঁটকাটা রুদ্রনীল ঘোষপ্রশ্ন করলেন দেবযানী সরকার

প্রশ্ন: ব্যক্তি রুদ্রনীল না অভিনেতা রুদ্রনীল, এই মুহূর্তে কে বেশি ভাল আছে?

রুদ্রনীল: ব্যক্তি রুদ্রনীল৷অভিনেতা রুদ্রনীল ভাল নেই৷এই মুহূর্তে টলিউড ইন্ডাসট্রির যা অবস্থা তাতে অভিনেতা রুদ্রনীল সত্যিই ভাল নেই৷

প্রশ্ন: এবার ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে কটা সিনেমা দেখলে?

রুদ্রনীল: খান ১০-১২৷ আই ড্যানিয়েল ব্ল্যাক খুব ভালো লেগেছে৷

প্রশ্ন: ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে দেখলাম মেয়েরা যখন তোমার সঙ্গে সেলফি তুলছিলো তখন তোমার মুখে কোনও হাসি ছিল না৷ সেলফিতে কি তুমি বিব্রত হও?

রুদ্রনীল: লোকের এক্সপেকটেশনের কোনও শেষ নেই৷একটা ছবি তুলবো, তারপর হাতটা কাঁধে উঠে  যাবে, এরপর আস্তে করে জড়িয়ে ধরবে, কে কি কারণে কি করছে সেটা বোঝা খুব মুশকিল৷আমি  ছেলে-মেয়ে আলাদা কিছু বুঝি না৷ এদের কাউকে তো আমি চিনি না৷ আজ ছবি তুললাম৷ আবার শুধু ছবি তুললেই হল না, হেসে তুলতে হবে৷ এবার দেখা গেল কাল সেই ছবির  মধ্যে থেকে কেউ যদি ঠগ বা ক্রিমিনাল বেরোয় তখন কি করব? তখন তো মিডিয়া বলবে এই লোকটা বা মহিলাটা রুদ্রনীলের ঘনিষ্ট৷

প্রশ্ন: আচ্ছা, এক সাক্ষাৎকারে পড়েছিলাম, কাটমুন্ডু ছবির চরিত্রটা তোমার খুব পছন্দের, কিন্তু চ্যাপলিন, রাজকাহিনি, কিংবা তিন ইয়ারি কথার মতো বিভিন্ন ছবিতে, তোমার অভিনয় দর্শকের ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছিল৷তারপরও, কাটমুন্ডু কেন তোমার এত পছন্দের?

রুদ্রনীল: আসলে কাঠমুন্ডু করার সময় আমি দেখতে পায়নি৷ মাইনাস ১৪ পাওয়ারের চশমা পরে অভিনয় করতে হয়েছে৷ তাও আবার প্লেন ল্যান্ডে নয়৷ একদিকে তাকিয়ে আর এক দিকে অভিনয় করতে হয়েছে৷ এটা খুব ডিফিকাল্ট একজন অভিনেতার কাছে৷ আমার ভালো লাগার ছবি যদি বল তাহলে চ্যাপলিন কিন্তু মোস্ট ডিফিকাল্ট ক্যারেক্টর ইজ কাঠমুন্ডু৷ স্মার্ট ক্যারেক্টারের থেকে ইনোসেন্ট ক্যারেক্টার প্লে করা খুব ডিফিকাল্ট৷এই ছবিটা যদি মুম্বইতে বানানো হত তাহলে সিরিজ তৈরি হত৷

প্রশ্ন: চকলেট-এর মার্কশিটে স্যাটিসফাই?

রুদ্রনীল: চকলেটে আই হ্যাভ সিন দ্য ক্যারেক্টারস৷ এই আইবিগুলো, এই চিটারগুলোকে আমার চেনা৷ মেক দেম পারসোনালি৷আমার লেখায় পরতে পরতে সেগুলো উঠে এসেছে৷ ডিরেক্টর তার নিজের ধরনে ছবিটা বানিয়েছেন৷ হিজ টেক৷ চকলেট কুড বি হিট ফিল্ম৷ইটস ডিপেন্ড অ্যামং দ্য প্রেজেন্টেশন৷প্রপারলি মার্কেটিং হয়নি৷ দু সপ্তাহ আগে জানতে পেরেছি৷ ৫-৬ কোটি টাকা বাজেটের ছবির পোস্টার সব ধুইয়ে দিয়েছে৷সবটাই ইংরাজিতে চকলেট লেখা ছিল৷ এটা আমি সাপোর্ট করিনি৷আমি চেয়েছিলাম বাংলায় লেখা হোক৷

প্রশ্ন: এখন হাতে কটা ছবির কাজ আছে?

রুদ্রনীল: দেখ টলিউড ইন্ডাসট্রির অবস্থা খুব একটা ভালো নয়৷যেখানে কাজ চালাতে গেলে ৫০ শতাংশ নগদ টাকা লাগে সেটা কালো টাকা না সাদা টাকা সেই প্রশ্নের উত্তর অপ্রয়োজনীয়৷ এখানে লিক্যুইড ক্যাশটা লাগে৷সেখানে এই পরিস্থিতিতে কীভাবে কাজ চলবে? আশা করা যায়,জানুয়ারির পর কিছুটা পরিস্থিতি বদলাবে৷

প্রশ্ন: আগামী বছর কি তাহলে টলিউডে ছবির সংখ্যা কমছে?

রুদ্রনীল: অবশ্যই৷নিজের টাকা মানুষ নিজে তুলতে পারছেন না৷নিজের প্রয়োজন মেটাতে পারছেন না৷ তাহলে কি করে ছবি বানাবে?

প্রশ্ন: তবে নোট বাতিল ইস্যুতে গোটা দেশ কিন্তু আড়াআড়িভাবে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে৷

রুদ্রনীল:  অ্যাকচুয়ালি এটাকে কেউ  সাপোর্ট করছে না৷আসল ব্যাপারটা কি জান রাস্তায় নামবার আগেই ফোন চলে যাচ্ছে৷   সব মানুষেরই না কোথাও না কোথাও একটা ছিদ্র থাকে৷ বিশেষ করে পলিটিক্যাল লিডারদের কিছু না কিছু ভুল তো থাকেই৷ সেগুলো ছমাস আগে থেকে পয়েন্ট আউট করে বের করা হয়েছে৷ তিনি যে কোনও পার্টির লোক হোক না৷ আই মিন যে কোনও পার্টির লোক৷তোমার মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন আসবে যে কোনও পার্টি কেন? একটা তো বাদ যাবে৷ কিন্তু না৷যে বা যাঁরা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রয়েছে, ঘরের বাইরে বা ঘরের ভিতরে এটা নিয়ে কথা বলছে তাঁদের কাছেই ফোন যাচ্ছে৷আয়কর দফতর থেকে ফোন করে বলছে একটু দেখা করবেন তো৷ আপনার হিসেবে একটু গন্ডগোল আছে৷এই পুরো কর্মকান্ডটা দেখে আমার হিরক রাজার দেশের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে৷

প্রশ্ন: ব্যক্তিগতভাবে কোনও সমস্যায় পড়েছ?

রুদ্রনীল: হানড্রেড পারসেন্ট৷প্রতি মুহূর্তে৷ আমি না হয় কার্ডে তেলটা তুলতে পাচ্ছি৷কিন্তু আমার এখানে যাঁরা কাজ করেন তাঁরা তো ক্যাবে বা বাসে আসবেন৷ তাঁরা কি করবেন? আমার থেকে তো খুচরো টাকাই চাইছেন তাঁরা৷ কিন্তু আমি তাঁদের দিতে পারছি না৷

প্রশ্ন: আচ্ছা, অনেক প্রতিভাবান অভিনেতাদের এক্সপেরিমেন্টের পরিবর্তে সেই কমেডি কিংবা ভিলেন চরিত্রে ডাকা হচ্ছে? এটা নিয়ে তোমার কি মত?

রুদ্রনীল: এটা মুম্বইতে ভেঙে গিয়েছে৷ আমি যা দেখতে পাচ্ছি বাংলায় খুব বেশি হলে এটা একবছরের মধ্যে ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে৷ বেশ কিছু পরিচালক-প্রযোজকদের পছন্দের সঙ্গে দর্শকদের পছন্দের কোনও মিল নেই৷ তাঁরা কানেক্ট করতেও যায় না৷ সেইসব পরিচালক-প্রযোজকরা যে টাকা খরচ করতে কোনও কার্পন্য করছে এমন কিন্তু নয়৷ যেটা হচ্ছে সেটা হল একমাত্র বোধের কার্পন্য৷ অ্যাক্টিং-এ দুটো টাফ বিষয়ই হল কমেডি ও নেগেটিভ ক্যারেক্টার৷ যাঁরা এই দুটো চরিত্রে অভিনয় করতে পারে তাঁরা খুব পাওয়ারফুল অভিনেতা৷ তাঁরা যে কোনও চরিত্রের জন্য ফিট৷ এই অভিনেতাদের নিয়ে যাঁরা এক্সপেরিমেন্ট করেন না তাঁরা শুধু সেইসব ট্যালেন্টেরই ক্ষতি করছেন না সেইসঙ্গে নিজেদেরও ক্ষতি করছে৷আমি বলব যেসব পরিচালক-প্রযোজকরা এই ভ্যারাইটিটা আনতে পারেন না তাঁদের নিজেদের আত্মবিশ্বাসের অভাব আছে৷

rudranilপ্রশ্ন: একটু অন্য প্রসঙ্গে আসি৷ ইন্ডাস্ট্রিতে আজ অ্যাফেয়ার, তো কাল ব্রেক-আপ, আবার প্যাচ আপ৷ এই সময়ে দাঁড়িয়ে কি মনে হয় না রুদ্রনীল ঘোষ কোথাও থেমে গিয়েছে?

রুদ্রনীল: ইন্ডাসট্রিতে আমার মনে হয় বন্ধুত্ব রাখাটাই বেটার৷সম্পর্ক কার সঙ্গে কোথায় হবে, কোন মুহূর্তে হবে সেটা তো আগে থেকে বলা যায় না৷ মিটিং করে তো ওইভাবে ঠিক করা যায় না৷অনেকে বলে না প্রেম করছি৷ আরে বাবা প্রেম কি পটি নাকি, যে করবে! প্রেমটা তো হয়৷রিজনলেশ অ্যাটাচমেন্টটাকেই প্রেম বলে৷ভাললাগাকে অনেক সময় প্রেম বলে প্রচার করা হয়৷মিডিয়াতে শুনতে হয় এটা ভাললাগা না ভালবাসা৷অ্যাকচুয়ালি মানুষের আগ্রহকে জাস্টিফাই করা মিডিয়ার কাজ৷আমার নিজের একটা জায়গা মনে হয়েছে, একই প্রোফেশনে থেকে আমাদের এখানে কাজের আপস অ্যান্ড ডাউন হয় তো এটা ভয়ঙ্কর৷দুটো মানুষ সমান ব্যস্ততায় থাকতে পারে না৷ তাই যখন একজনের কাজ বেশি থাকে অপরজনের কম থাকে তখন যাঁর কাজ কম থাকে কোথাও যেন তাঁর একটা রাগারাগি, অভিমান হয়৷ তখন অন্যজনের ইরিটেশন হয়৷ সেইসময়ই প্রেমটা ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷আমি এই ইরিটেশনটার মধ্যে থাকতে পছন্দ করি না৷আয়্যাম ভেরি কনশাস অ্যাবাউট দ্যাট৷ আমি একটু হিসেবি৷ আমি খুব পরিশ্রম করে বড় হওয়া ছেলে৷আমার মনে হয় আমিও চাইব আমার উল্টোদিকের মানুষ সেই ঘামের মূল্যটা জানে৷আসলে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও সম্মান না থাকলে কোনও সম্পর্কই ঠিকে থাকে না৷আর আমার মনে সেই সম্পর্ক রাখার কোনও মানেই হয় না৷ আমার যাঁরা বান্ধবী বা প্রেমিকা ছিল যাঁদের সঙ্গে কোনও কারণে মনোমালিন্য হয়ে গিয়েছে  তাঁদের মধ্যে ৬০ শতাংশের সঙ্গে আমার এখনও যোগাযোগ আছে৷ তাঁদের সঙ্গে আমার এখনও গল্প করতে ভালো লাগে৷এখানে কোনও হাইড অ্যান্ড সিক নেই৷ এক্সপেক্টশন নেই৷ আসলে যখনই আমরা কোনও সম্পর্কে থাকি তখন সবসময় চাই উল্টোদিকের মানুষটা আমার মতো হবে৷আমি অ্যাকচুয়ালি কোনও মন খারাপ বা কষ্ট পেতে চাই না৷তাই একটু সতর্ক থাকি৷ আমার উপর অনেকগুলো মানুষের পেট নির্ভর করে৷ মন খারাপ হয়ে গেলে সব কাজে এফেক্ট পরে৷তাই আমাকে সতর্ক থাকতে হয়৷

প্রশ্ন: এখন অনেককেই দেখা যাচ্ছে একটা  সম্পর্কে থেকে  আরও দু-তিনটে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে৷মানুষ বহুগামিতায় অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে৷ এটা নিয়ে তোমার কী মত?

রুদ্রনীল: প্রত্যেকেই চায় ভালে থাকতে৷ এখন সবার কাছেই মার্কেটটা অনেক বড় হয়ে গিয়েছে৷ প্রচুর অপশন৷মনে ও শরীরে নিজেকে ডিসকভার করতে উল্টোদিকের একজনকে দরকার৷

প্রশ্ন: প্রেমে শরীর না মন?

রুদ্রনীল: সম্পর্ক চিরকালই শরীরকেন্দ্রিক ছিল৷আমি যদি দেখি শারীরিক সম্পর্কের আগে কারোর সঙ্গে দু’ঘণ্টা গল্প করতে না পারি তাহলে তারমধ্যে ঢুকি না৷ আমার কাছে মন এবং শরীর একই ফ্ল্যাটের দু’টো মানুষ৷একজন একতলায়, অন্যজন দোতলায় থাকে৷

প্রশ্ন: তনুশ্রী অধ্যায়ের পর নতুন করে কিছু শুরু করেছ?

রুদ্রনীল: না৷ আমরা দুজনেই খুব ভাল বন্ধু ছিলাম৷ আমরা কেউ-কাউকে কখনও আই লাভ ইউ বলিনি৷ ও খুব ম্যাচিওরড খুব প্র্যাকটিক্যাল৷আমিও তাই৷আমরা একসঙ্গে সময় কাটাতে কাটাতে বুঝতে পারি যে আমরা একটা সম্পর্কের মধ্যে ঢুকে পরেছি৷কিছুদিন পর বুঝতে পারি এই সম্পর্কটা হওয়ার পর  আগে আমরা যে কথাগুলো নিজেদের মধ্যে বলতাম সেগুলো আর সহজভাবে বলতে পারিনা৷আগে যেমন তনুশ্রীর কোন ছেলেকে বা আমার কোন মেয়েকে ভালো লাগল সেটা খুব সহজে আমরা শেয়ার করতাম৷পরে এগুলো বন্ধ হয়ে গিয়েছিল৷ এইভাবে অনেক কিছুই হারিয়ে যাচ্ছিল৷ তখনই বুঝলাম সম্পর্ক গলা টিপতে শুরু করেছে৷এটা মেনে নেওয়া যাচ্ছিল না৷ মনে হয়েছিল বন্ধুত্বটাতে ফিরে যাওয়া উচিত৷তাই করেছি৷ এখনও আমাদের মধ্যে গল্প হয়৷

প্রশ্ন: এখনও পর্যন্ত কটা মেয়ে পটিয়েছ?

রুদ্রনীল: তুমি হ্যাজাক, তুমি জ্বলছ৷সেখানে উচ্চিংড়ে এসে পড়বে না আরশোলা এসে পড়বে সেটা তাঁদের কপাল৷আমার তো কোনও প্রবলেম নয়৷

প্রশ্ন: বিয়ে করার কোনও প্ল্যান আছে না চিরকুমার থাকার ইচ্ছা?

রুদ্রনীল: না না৷ বিয়ে করার প্ল্যান আছে৷গত পাঁচ বছর ধরে চেষ্টা করছি৷ কেন যে হচ্ছে না তা জানি না৷ ভাবছি এবার বিয়ের জন্য মাদুলি পড়তে হবে৷তবে বিয়ে করলে অবশ্যই কোনও চাকরি করা মেয়েকে করব যে পরিশ্রমের মানেটা বোঝে৷একবছরের মধ্যে বিয়েটা করে ফেলব ভাবছি৷

প্রশ্ন: পাত্রী কি ঠিক হয়ে গিয়েছে?

রুদ্রনীল: এখনও নয়৷তবে নতুন চেনা কোনও মেয়েকে বিয়ে করব না৷ আমি এমন কাউকে বিয়ে করতে চাই যে আমার দোষ-গুন দুটোই জানে৷

প্রশ্ন: এই মুহূর্তে ইন্ডাসট্রিতে ভাল বন্ধু কে? যাঁকে বিপদেও কাছে পাও…

রুদ্রনীল: এই মুহূর্তে আমি একজনকে দেখেই হিংসে করি যে কেন আমি তার মতো সৎ, ভালমানুষ হতে পারি না৷ তার নাম কাঞ্চন মল্লিক৷যদি কান্না পায় তাহলে ওর সামনেই আমি একমাত্র ডুকড়ে কেঁদে উঠতে পারি৷

প্রশ্ন: ইগোর সমস্যা আছে?

রুদ্রনীল: না৷ যাঁদের ইগো আছে তাঁদের কাছে আমি সমস্যা৷

প্রশ্ন: বড়-পর্দায় তোমাকে ছবিতে কখনই চরিত্রগুলো থেকে আলাদা করা যায় না, এতটাই তুমি ঢুকে যাও তার মধ্যে৷ কিন্তু এতটা নিখুঁত পরিশ্রমের পরও কী কোথাও কোনও আক্ষেপ রয়ে গিয়েছে ইন্ডাস্ট্রিতে?

রুদ্রনীল: অভিনেতার আক্ষেপ আর ক্রাইসিস যদি মিটে যায় তাহলে বলব তাঁর অভিনয় ছেড়ে দেওয়া উচিত৷

প্রশ্ন: প্রথমে বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সংসদের সভাপতি পরে জনপরিষেবা কমিশনের অন্যতম কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হয়েছে তুমি৷সমালোচকরা বলছে শাসকদলের ঘনিষ্ট হয়ে রুদ্রনীল সুযোগসুবিধা নিচ্ছে৷ কি বলবে?

রুদ্রনীল: হতে পারে৷ আমার কোনও আইডিয়া নেই৷ শাসক দলের ঘনিষ্ট তো অনেকেই রয়েছে৷ আমার থেকে অনেক বড় বড় স্টারেরা রয়েছেন৷ আমার থেকে অনেক সিনিয়ররাও রয়েছেন৷ আমারও প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রী একান্ত আমাকেই কেন এই কঠিন দায়িত্বগুলো দেওয়ার জন্য নির্বাচন করলেন? কেনই বা বিশ্বাস করলেন আমি সাকসেসফুলি কাজগুলো করতে পারব? এটা আমারও প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীকে৷ আর যাঁরা এসব বলছেন তাঁদের জন্য আমার মায়া রইল৷

প্রশ্ন: ‘ফুল টাইম’ রাজনীতিতে আসছ?

রুদ্রনীল: নাহ৷ যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওদিন এব্যাপারে কিছু বলেন তাহলে আগে তিন-চারটে জিনিস ভাবব৷ তারপর…

- Advertisement -