স্বরলিপি দাশগুপ্ত: কলকাতা: প্রায় আড়াই মাস শ্যুটিং বন্ধ ছিল স্টুডিও পাড়ায়। জুন মাসের শুরুতে অবশেষে আবার শুরু হয় শ্যুটিং। শ্যুটিং-এর জন্য তৈরি হয় নতুন স্বাস্থ্যবিধি। কিন্তু তা সত্ত্বেও করোনা ঘিরে আতঙ্ক মানুষের কমেনি। বরং প্রত্যেকদিন রেকর্ড মাত্রায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। যদিও থেমে নেই স্টুডিও পাড়া। প্রত্যেকদিন স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চলছে শ্যুটিং। আর তাই ধারাবাহিকগুলির নতুন এপিসোড দেখতে পাচ্ছেন টেলিপ্রেমীরা।

‘সাঁঝের বাতি’ ধারাবাহিক খ্যাত অভিনেতা রেজওয়ান রব্বানি শেখ কলকাতা ২৪x৭-কে জানালেন কতটা সতর্কতা বজায় রেখে শ্যুটিং চলছে। রেজওয়ান বলছেন, “ফ্লোরে ঢোকার আগে রোজই শারীরিক তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে। হ্যান্ড ওয়াশ ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা হচ্ছে। মেক আপ রুম স্যানিটাইজ করা হচ্ছে। ফ্লোরে কেউ কোথাও সেভাবে একজোট হয়ে থাকছেন না। সামাজিক দূরত্বের দিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে।

চিত্রনাট্য এমন ভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যাতে কম সংখ্যক লোক একটি দৃশ্যে থাকতে পারে। ৬ জনের বেশি যেন না থাকে সেই দিকে খেয়াল রাখছেন পরিচালক। প্রায়ই গোটা ফ্লোর স্যানিটাইজ করা হচ্ছে। এটা আমাদের কাছে নতুন একটা চ্যালেঞ্জ।”

করোনার সঙ্গে লড়ার একমাত্র হাতিয়ার হল শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা। শরীরে যত ইমিউনিটি থাকবে, ততই এই ভাইরাসের থেকে দূরে থাকা যাবে। চিকিৎসকরা তাই প্রতিনিয়ত ইমিউনিটি বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। সেই মতোই রেজওয়ানও নিজের ইমিউনিটি সম্পর্কে সচেতন থাকছেন।

তিনি বলছেন, “বাড়িতে থাকি বা বাইরে, ইমিউনিটিটা ঠিক রাখতে হবে। কারণ একবার এই ভাইরাসের কবলে পড়লে অনেকটা সময় নষ্ট হয়। তাই পড়ুয়া থেকে পেশাদার মানুষ, প্রত্যেকেরই কাজের কথা মাথায় রেখে নিজের ইমিউনিটিকে এখন শক্তিশালী রাখা উচিত। শারীরিক ও মানসিক দুই থেকেই শক্তিশালী থাকা দরকার। শুধু কোভিড ১৯ বলে নয়, সব সময়েই যাতে শরীরে ইমিউনিটি বেশি থাকে সেদিকে নজর দেওয়া দরকার।”

করোনার জন্য মানুষ এতটাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন রোগীকে সমস্ত কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে রেজওয়ান বলছেন, “সাবধানে থাকুন। তবে অতিরিক্ত আতঙ্কিত হবেন না। কারও করোনা হয়েছে মানেই তিনি অছ্যুৎ নন। আপনি নিজেকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি তাঁর সুস্থতার দিকটি মাথায় রাখুন। আমিও তাই করার চেষ্টা করছি।”

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।