মুম্বই: শুটিং করতে করতেই ব্রেন স্ট্রোক হল আশিকি খ্যাত অভিনেতা রাহুল রায়ের। সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কারগিলে একটি ছবির শুটিং করছিলেন অভিনেতা। তখনই ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে রাহুলকে।

আসন্ন ছবি ‘এলএসি- লিভ দা ব্যাটেল’ এর শুটিং করছিলেন রাহুল। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে যে কারগিলের আবহাওয়ার জন্য ব্রেন স্ট্রোক হয়েছে। রাহুলের ভাই রমীর সেন সংবাদমাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন যে অভিনেতার অবস্থা এখন স্থিতিশীল।

১৯৯০ সালে মহেশ ভাটের ছবি আশিকি-তে অভিনয় করে সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়েছিলেন রাহুল রায়। এছাড়াও টেলিভিশন রিয়ালিটি শো বিগবস এর প্রথম সিজনে জয়ী হয়েছিলেন রাহুল। কিন্তু তারপর রূপসী দুনিয়া থেকে অনেকটাই সরে যান অভিনেতা।

এ বছরই এক সংবাদমাধ্যমের কাছে জানিয়েছিলেন কেন তিনি স্পটলাইট থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আমি দূরে সরে যেতে চেয়েছিলাম কারন আমার ইচ্ছে হয়েছিল। ইন্ডাস্ট্রির এর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। আমি জানিনা ইন্ডাস্ট্রিতে আশা আমার জন্য আশীর্বাদ না অভিশাপ। কিন্তু আমি কোন বড় তারকা বা অভিনেতা হতে ইন্ডাস্ট্রিতে আসিনি।”

এছাড়াও তাকে যে সমস্ত ছবির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল সেগুলো নিয়ে খুব একটা উচ্ছ্বসিত ছিলেন না বলেও জানান রাহুল। তিনি বলেছেন, “অভিনেতা হিসেবে আমার বৃদ্ধি একটা সময় বন্ধ হয়ে যায়। একই চরিত্রে যেন বারবার অভিনয় করছিলাম। তখন সবার ধারণা ছিল, একে দিয়ে এটাই করিয়ে যাও।”

২০০৫ সালে প্রথমবার বিগবসে অংশ নেন রাহুল রায়। প্রথমবারই বিজয়ী হন তিনি। এরপরে হাতে বেশ কিছু ছবি পেয়েছিলেন অভিনেতা। কিন্তু সেই ছবিগুলি সেভাবে কোন ছাপ ফেলে নি। উল্লেখ্য রাহুলের অসুস্থতার খবরে তার অনুরাগীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই অভিনেতার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে পোস্ট করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।