মুম্বই: জিরো ছবিতে একজন খর্বকায় ব্যক্তির চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল অভিনেতা শাহরুখ খানকে। ছবিটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। তারপর থেকে আর কোনো ছবিতে অভিনয় এখনো পর্যন্ত করেননি কিং খান। বলিউডের খর্বকায় অভিনেতা যিনি লিলিপুট নামে পরিচিত তিনি এবার বললেন, খর্বকায় মানুষের চরিত্রের অভিনয় করাই উচিত হয়নি শাহরুখের।

একজন খর্বকায় ব্যক্তির সমাজের নানা রকমের পরিস্থিতির শিকার হতে হয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাকে মানসিকভাবে হেনস্থা করা হয়। ‘বামন’ বলে ডাকা হয়। কিন্তু সেই সমস্ত বিষয় এই ছবিতে দেখানো হয়নি। আনন্দ এল রায় পরিচালিত এই ছবিতে শাহরুখের চরিত্রের নাম ছিল বাউয়া সিং। সেই বাউয়া প্রেমে পড়ে একজন সেরিব্রাল পালসির রোগী তথা বিজ্ঞানীর। সেই বিজ্ঞানের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অনুষ্কা শর্মা।

ছবিতে একজন নায়িকার চরিত্রে দেখা গিয়েছিল ক্যাটরিনা কাইফকে। স্পেশাল এফেক্ট এর মাধ্যমে শাহরুখকে খর্বকায় হিসেবে দেখানো হয়েছিল। লিলিপুট বলেছেন, দুটো কারণে শাহরুখের এই চরিত্রে অভিনয় করা উচিত হয়নি। প্রথমত তার মতে, খর্বকায় ব্যক্তি হিসেবে আলাদা করে অভিনয় করার কিছুই থাকে না। একজন অন্ধ বা মূক ও বধির এর চরিত্রে আলাদা করে অভিনয় করার অনেক সুযোগ থাকে। কিন্তু খর্বকায় ব্যক্তির চরিত্র আলাদা করে অভিনয় করার কী রয়েছে? উচ্চতা কম হলেও তারা স্বাভাবিক মানুষের মতোই হাঁটাচলা করেন, কথা বলেন। একজন ঘোড়া মানুষের চরিত্রে অভিনয় করতে গেলেও সেখানে অভিনেতার কিছু চ্যালেঞ্জ থাকে। কিন্তু যে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই হাঁটতে পারে এবং কথা বলতে পারে তার চরিত্রে অভিনয় করার মধ্যে আলাদা কোনো মাহাত্ম্য নেই বলেই দাবি লিলিপুটের।

দ্বিতীয়ত ছবির গল্প নিয়েও লিলিপুটের সমস্যা রয়েছে। একজন খর্বকায় ব্যক্তির সমাজে নানা রকম পরিস্থিতির সামনা করতে হয়। নানা রকম ভাবে তাকে মানসিকভাবে হেয় করা হয়। কিন্তু সে সমস্ত বিষয় একদমই দেখানো হয়নি এই ছবিতে। লিলিপুটের মতে শাহরুখের চরিত্রের থেকে অনুষ্কার চরিত্রটি দেখে অনেকের বেশি সহানুভূতি হয়েছিল। তাই তিনি বলছেন যে, “ছবির চিত্রনাট্য অদ্ভুত। এত গুণী মানুষরা এরকম ভুল কিভাবে করেন জানিনা।” তিনি এও বলেছেন যে একজন ‘বামন’ এর চরিত্রে মানুষের মনে সেভাবে কোনো ছাপ ফেলতে পারেননি এসআরকে।

প্রসঙ্গত এই খর্বকায় অভিনেতা সম্প্রতি আমাজন প্রাইমের মির্জাপুর ২- তে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও বেশ কিছু ছবিতে তিনি কাজ করেছেন। তার মতে জিরো ছবিতে শাহরুখকে স্বল্প উচ্চতার মনে হয়েছে। তবে মনে হয় নি তিনি একজন ‘বামনের’ চরিত্রে অভিনয় করছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।