নিউজ ডেস্ক: এই রাত জীবনে একবারই আসে। তাই তো এ রাতের নাম ‘মধু রাত’। বুধাবার অভিনেতা জিতু কমল এবং অভিনেত্রী নবনীতা দাসের জীবনে ফুলসজ্জার রাত। কথা ছিলই, সেই মতো ৬ মে অর্থাৎ সোমবার সন্ধ্যায় সাত পাকে বাঁধা পড়েন ‘মহাপীঠ তারাপীঠ’ এর ‘তারা মা’ এবং অর্থাৎ অভিনেত্রী নবনীতা দাস এবং ধারাবাহিকেরই ছোট রাজকুমার আনন্দনাথ অর্থাৎ অভিনেতা জিতু কমল।

এক্কেবারে বাঙালি রীতি মেনেই বিবাহ সম্পন্ন হয় জিতু কমল ও নবনীতার। বিয়ের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বিয়ের প্রথম ছবি শেয়ার করেছেন ছোট পর্দার এই দুই তারকা। সোমবার সকাল থেকেই নান্দীমুখ থেকে বৃদ্ধি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিয়ের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের ছবি শেয়ার করেন নবনীতা দাস।

গত এক মাস ধরে চূড়ান্ত ব্যস্ততা ছিল দুই পরিবারে। পাত্র-পাত্রী দুজনেই টলিপাড়ার সেলেব্রিটি। তাই ব্যস্ততা থাকাটাই স্বাভাবিক। আর সেইমতো কেনাকাটা থেকে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থাপনা সবই ছিল নজরকাড়া। এই ব্যস্ততা সম্পর্ককে সামাজিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুষ্ঠান। তবে বেশ কয়েক মাস আগেই একে অপরকে মন দিয়ে ফেলেছিলেন টেলিভিশন অভিনেত্রী নবনীতা দাস এবং ছোটপর্দা ও বড়পর্দার নায়ক জিতু কমল।

আসলে জিতু কমলের বাড়িতে অনেকদিন ধরেই বিয়ের কথা-বার্তা চলছিল। শ্যুটিং ফ্লোরে সে নিয়ে একদিন আলোচনা করেন জিতু। শুনে নবনীতা মজা করে বলেছিলেন, “আমাকে বিয়ে করো’” জিতুও মজা করে উত্তর দিয়েছিলেন,‘” তোমাকে কেন বিয়ে করব, তুমি তো বাচ্চা মেয়ে।” এই মজাই যে সিরিয়াস হয়ে যাবে তা তখন জানতেন না টলিপাড়ার দুই মুখই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।