মুম্বই: আকাশছোঁয়া বিদ্যুতের বিল। নাজেহাল অবস্থার কথা জানিয়েছেন বলিউডের তারকারা। তাপসী পান্নু হুমা কুরেশি-সহ অনেকেই এই বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন। কারণ লকডাউনে এরকম মোটা অঙ্কের বিদ্যুতের বিল মেটাতে গিয়ে তাঁদের অবস্থা জেরবার হয়েছে। এবার সেই একই অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন অভিনেতা আরশাদ ওয়ারসি। টুইট করে জানালেন বিদ্যুতের বিল এত বেশি ছিল যে ভেবেছিলেন নিজের দুটো কিডনি বেচে দেবেন।

তাপসী জানিয়েছিলেন তাঁর এক মাসের বিদ্যুতের বিল এসেছে ৩৬ হাজার টাকা। হুমা কুরেশির বাড়ির এক মাসের বিদ্যুতের বিল আসে ৫০ হাজার টাকা। এই আকাশছোঁয়া বিল মেটাতে অবস্থা নাজেহাল হয়েছে তারকাদের। আর এঁদের বিল ছাড়িয়ে গিয়েছে আরশাদ ওয়ারসির বাড়ির ইলেকট্রিক বিল। আরশাদ ওয়ারসির এক মাসের বিল যা এসছে তা শুনলে চমকে যেতে হয়! জানা গিয়েছে আরশাদের এক মাসের বিল আসে ১ লক্ষ ৩ হাজার টাকা।

কিন্তু কেন এত বিল এল তার কোন হদিস এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আরশাদ এই বিষয়ে লেখেন, এমন কি ঘটল যার জন্য এত বিল এলো আর তাই মুম্বাইয়ের বিদ্যুৎ সরবরাহকারী দফতর কে কটাক্ষ করে আরশাদ টুইট করেন, “আপনাদের সবাইকে অনুরোধ দয়া করে আমার পেইন্টিং গুলো কিনুন। তাহলে আমি এই মাসের বিলটা অন্তত দিতে পারি। পরের মাসের জন্য আমি নিজের দুটো কিডনি তুলে রাখছি।”

আরশাদ অভিনয়ের পাশাপাশি ছবিও আঁকেন। লোক যাওনি বাড়িতে বসে বেশ কিছু পেইন্টিং করেছেন। সেগুলি বিক্রি করলে যে টাকা আসবে তা দিয়েই তিনি ইলেকট্রিক বিল দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন। তবে শুধু তারকারাই নন। মুম্বইয়ের সাধারণ মানুষরাও এই আকাশ ছোঁয়া ইলেকট্রিক বিল দিতে গিয়ে নাজেহাল হয়েছেন। তারা কেউই এখনও ওয়াকিবহাল নয় যে কেন এত পরিমাণে ইলেকট্রিক বিল এসেছে।

একে লকডাউন এ মানুষের রোজগারের উপরেও হাত পড়েছে। কেউ কাজ হারিয়েছেন। আবার কারোর বেতন কাটা গিয়েছে। আর তার মধ্যে এমন ইলেকট্রিক বিল কপালে ভাঁজ ফেলে দিয়েছে সাধারণ মানুষের।

প্রশ্ন অনেক: তৃতীয় পর্ব