মুম্বই: হাসপাতাল থেকে ছুটি পেলেন বিশিষ্ট তেলেগু লেখক তথা সমাজকর্মী ভারভারা রাও। মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। বম্বে হাইকোর্টের নির্দেশেই তাঁকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। প্রখ্যাত এই তেলেগু কবি এলগার পরিষদ মামলায় অভিযুক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহীতার মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় সংস্থা NIA।

৮২ বছর বয়সী এই তেলেগু কবির শারীরিক নানা সমস্যা রয়েছে। জেলে থাকাকালীনই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। চিকিৎসার জন্যই গত ২২ ফেব্রুয়ারি তাঁর ৬ মাসের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে বম্বে হাইকোর্ট। বর্ষীয়ান এই কবির চিকিৎসার সবরকম ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেয় আদালত। এরপরেই তাঁকে মুম্বইয়ের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

একটানা বেশ কিছুদিন হাসপাতালে ছিলেন ভারভারা রাও। হাসপাতালে থাকাকালীন তাঁর শারীরিক একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়। বয়স বেশি হওয়ায় এমনিতেই তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন তাঁর পরিবার ও নিকটজনেরা। হাসপাতালের তরফেও তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির দিকে গভীরভাবে খেয়াল রাখা হয়েছিল। গোটা মহারাষ্ট্র করোনার কবলে। সেই কারণে ভারভারা রাওকে নিয়ে গভীর চিন্তায় ছিল তাঁর পরিবারও। যদিও শেষমেশ করেনাার সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকতে পেরেছেন বর্ষীয়ান এই কবি। শনিবার রাতে মুম্বইয়ের নানাবতী হাসপাতাল থেকে তাঁকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়।

৮২ বছরের ভারভারা রাওকে মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করে মহারাষ্ট্রের পুণে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহীতার মামলা রুজু করা হয়। জেলে থাকাকালীন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন বিশিষ্ট এই কবি। এরপরেই তাঁর জামিনের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভারভারাও রাওয়ের মুক্তির দাবি জোরালে হতে থাকে।

পথে নামতে দেখা যায় বিশিষ্টদের একাংশকেও। ভারভারা রাওয়কে গ্রেফতারের পিছনে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে স্বৈরাচারীতারও অভিযোগ তোলেন বিশিষ্টদের একাংশ। বর্ষীয়ান এই তেলেগু কবির বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন একটি অভিযোগ এনে তাঁকে অপদস্ত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন কেউ-কেউ। শেষমেশ মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে বর্ষীয়ান এই কবিকে ৬ মাসের জামিনে মুক্তি দেয় আদালত। তবে তাঁকে মুম্বই ছেড়ে যেতে নিষেধ করেছে আদালত। উল্লেখ্য, দুই জামিনদার ও ৫০ হাজার টাকা জমার পরই জামিন হয়েছে ভারভারা রাওয়ের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.