হাওড়া: বছরঘুরে ফের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনা। দেশের অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি বাংলাতেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের দেওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, হাওড়া জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৯৫, মৃত ১। হাওড়া জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় ১৯৮ জন সুস্থ হয়েছেন। অর্থাৎ, এক্টিভ কেস সংখ্যা ১৯৬। অন্যদিকে, উলুবেড়িয়া শহরেও দ্রুত হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। জানা গেছে, বর্তমানে উলুবেড়িয়া পৌর এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ২৬।

জানা গিয়েছে, উলুবেড়িয়া পৌর এলাকায় মোট পাঁচটি জায়গায় টেস্ট হচ্ছে। উলুবেড়িয়া শহরের ক্রমবর্ধমান করোনা পরিস্থিতি স্থানীয় প্রশাসনিক মহলেও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। জানা গেছে, শুক্রবার উলুবেড়িয়া মহকুমাশাসকের তত্ত্বাবধানে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে। অন্যদিকে, ভ্যাক্সিনের পর্যাপ্ত জোগান না থাকায় ফুলেশ্বর, চেঙ্গাইল ও বাউরিয়ায় ভ্যাক্সিন দেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, উলুবেড়িয়া পৌর এলাকায় মোট চারটি জায়গা থেকে ভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে।

করোনা সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করেনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৬১৫ জন। ২২ জনের মধ্যে শুধু মাত্র কলকাতাই মারা গিয়েছেন ৭ জন। কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় একদিনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার৩৫৪ জন। একদিনে সেখানে মারা গিয়েছেন ৬ জন। তুলনামূলক ভাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আক্রান্তের সংখ্যা কম। তবে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের।

সারা রাজ্যের নিরিখে বুধবার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ছুঁইছুঁই। আর গত ২৪ ঘণ্টায় তা সাড়ে ৬ হাজার পার হয়ে গেল। যদিও গত দিনের তুলনায় মৃতের সংখ্যা সংখ্যা কিছুটা কমেছে। এক দিনে করোনার বলি হয়েছে ২২ জন।

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৭৬৯ জন।এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ৩৬ হাজার ৯৮১। যা বুধবারের তুলনায় ৪ হাজার ৩৬০ বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৩৮৭ জন । গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২ হাজার ১২১জনের , যার মধ্যে ৬.৫৮ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। গত ২৪ ঘণ্টায় কোরোনার ছোবলে মারা গিয়েছেন ২২ জন। রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ৪৮০ জন। দ্রুত বাড়ছে করোনা মৃত্যুর সংখ্যা। সুস্থতার হার কমে ৯২.৫৫ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.