স্টাফ রিপোর্টার, হলদিয়া: কথাতেই আছে মেরে ছাল ছাড়িয়ে দেবো৷ কিন্তু এখানে একটু আলাদা। ছাল ছাড়িয়ে গাছকে খুন করা হচ্ছে শিল্প শহর হলদিয়ায়। এখানে টাউনশিপ বন্দর আবাসনের মধ্যে ঘটেছে এই ধরনের ঘটনা। এক ‘অভিনব’ পদ্ধতিতে গাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠল শিল্প শহরে।

স্থানীয়দের দাবি, গাছের ছাল তুলে হলদিয়া বন্দর আবাসনের ক্লাস্টার নাইন এলাকায় মেরে ফেলা হচ্ছে একাধিক শিরিষ গাছ। হলদিয়া সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড যাওয়ার পথে মেডিকো যাত্রী প্রতীক্ষালয়ের কাছে বন্দর প্রশাসনের জায়গায় ওই গাছগুলি লাগানো হয়েছিল। সেখানে শিরিষ ছাড়াও পলাশ, বটল ব্রাশ-সহ নানা প্রজাতির গাছ রয়েছে। তাদের মধ্যে বেশি কিছু গাছের চাল তুলে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

হলদিয়া সেন্টিনারি পার্কের কাছে ওই শিরিষের জঙ্গল রাস্তা থেকে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক দিন ধরে কিছু মানুষ এসে ওই সব গাছের চাল কেটে নিচ্ছিলেন। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু ওরা মারমুখী ছিল। গাছের ছাল কাটলে কি গাছ মরে যাবে? এই বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত এক বন আধিকারিক সমীর মজুমদার বলেন, যে সব গাছের জাইলেম, ফ্লোয়েম গাছের ছালে থাকে, সেগুলির ছাল গভীরভাবে কেটে ফেললে তারা ধীরে ধীরে মরে যাবে। শিরিষও ওই ধরনেরই গাছ।

হলদিয়া বিজ্ঞান পরিষদের সভাপতি রায়পদ কর জানিয়েছেন, গভীরভাবে গাছের ছাল তুলে নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে গাছ আর কাণ্ডে জল ও খনিজ লবণ সংবহন করতে পারছে না। ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাচ্ছে। হলদিয়া বন্দরের প্রশাসনিক ম্যানেজার অমল দত্ত বলেন, অবিলম্বে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে এর পিছনে কারা রয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে। এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে কোন চক্র না ব্যক্তি কাজ করছে তা খতিয়ে দেখে যেন প্রশাসন কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করে। না হলে পরিবেশ থেকে গাছের সংখ্যা দিনের পর দিন কমলে ভারসাম্য নষ্ট হয়ে পড়বে।

হলদিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান শ্যামল আদকের মতে, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা শিল্প শহরে সৌন্দর্যায়নের জন্য ইকো ক্লাব তৈরি করে গাছ লাগিয়ে যাচ্ছি। সেখানে এই ভাবে গাছকে মেরে ফেলা যাবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।