হিউস্টন : সাত মাস হতে চলল করোনা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের শেষ নেই সাধারণ মানুষের। বরং দিন যত যাচ্ছে ততই নিত্যনতুন উপসর্গ নিয়ে হাজির হচ্ছে মারণ এই ব্যাধি।

আর এরই মাঝে করোনা নিয়ে ফের নতুন করে শঙ্কার কথা শোনালেন হিউস্টনের একদল বিজ্ঞানী। হিউস্টনের ওই বিজ্ঞানীরা করোনা ভাইরাসের নতুন রূপান্তর খুঁজে পেয়েছেন। করোনভাইরাসের ৫০০০ টিরও বেশি জেনেটিক সিকোয়েন্সের সন্ধান দিয়েছেন তাঁরা। বিশেষজ্ঞদের নতুন এই সমীক্ষায় আরও প্রকাশিত হয়েছে যে, এই জেনেটিকের কোনও এক রূপান্তর এটিকে আরও সংক্রামক করে তুলতে পারে।

তবে, মেডআরসিভে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, নতুন রূপান্তরগুলি ভাইরাসটিকে মারাত্মক করে তুলবে না বা রোগের ক্লিনিকাল ফলাফলগুলিকে প্রভাবিত করবে বলে মনে হচ্ছে না।

জেমস মুসের নামের এক বিজ্ঞানী আরও জানিয়েছেন, ” এখনও এই ভাইরাসের আরও প্রচুর রূপান্তর ঘটবে। এছাড়াও তা আরও দ্রুত গতিতে মানুষদের সংক্রমিত করবে।”

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ অ্যালার্জি অ্যান্ড সংক্রামক রোগ সংক্রান্ত (এনআইএআইডি) গবেষণার একজন ভাইরোলজিস্ট এবং যারা এই গবেষণাটি পর্যালোচনা করেছেন তাঁরা বলেছিলেন যে, “ভাইরাসটি যেভাবে অতিদ্রুত জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে তা যথেষ্ট দুশ্চিন্তার। এতে আরও অসংখ্য মানুষ সংক্রমণযোগ্য হয়ে পড়েছেন, যা হতে পারে নেতিবাচকভাবে এটি নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতাকে প্রভাবিত করবে।

তবে মোরেন্স নামের আরও এক বিজ্ঞানী জানিয়েছেন যে, করোনার ভ্যাক্সিন আবিস্কার এবং তা পৃথিবীর প্রত্যেকটি দেশে চালু না হওয়া পর্যন্ত মাক্স, হ্যান্ড স্যানিটাইজর, গ্লাভস এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক ভাবে আমাদের মেনে চলতে হবে। এতে অদৃশ্য এই ব্যাধি থেকে কিছুটা হলেও নিজেদেরকে সুস্থ সবল রাখতে পারব আমরা।

এছাড়াও করোনাভাইরাসকে আপনা আপনি প্রতিহত করতে হলে আমাদের শরীরের অন্যক্রমতাকে বাড়িয়ে তোলা একান্ত প্রয়োজনীয়৷ এতে মানব দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং রোগ জীবাণুর বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইয়ে সহায়তা করে। হিউস্টনের

গবেষকরা আশাবাদী যে, তাঁদের এই নতুন গবেষণা ভবিষ্যতে সংক্রমণের তরঙ্গগুলির উৎস, গতিপথ, হোস্ট ইমিউন প্রতিক্রিয়া এবং সারস-কোভি -২ বিবর্তনের উপর চিকিৎসার কৌশলগুলির সম্ভাব্য প্রভাব বুঝতে সহায়তা করবে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।