মালদহ: জাতীয় সড়কে লরি ও মারুতির মুখোমুখি সংর্ঘষে মৃত তিন৷ ঘটনাটি ঘটেছে চাঁচল থানার জিয়াগাছি এলাকায়৷ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে৷

অন্যদিকে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷ লরি ও মারুতিটি আটক করেছে পুলিশ৷ ঘটনাস্থলেই একজন চালকের মৃত্যু হয়েছে৷ অপর দিকে লরি চালক পলাতক৷ তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ৷

জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম সৈয়দুর রহমান,মহন্মদ আসিরুদ্দিন ও আমিরুল ইসলাম। বাড়ি মালদা থানার নবাবগঞ্জ এলাকায়। রবিবার সন্ধ্যায় ৮১ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর জিয়াগাছি মসজিদের কাছে বাঁক নেওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে৷ চাঁচলের থেকে আসা একটি বড় লরির সঙ্গে ধাক্কা মারে একটি ছোট গাড়ি৷ সেই গাড়িতে চালকসহ আরও দু’জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে৷

অভিযোগ, দু’টি গাড়ির গতিবেগ এত বেশি ছিল যে, ছোট গাড়িটি দুমড়ে মুচড়ে ভেঙে যায়৷ ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় গাড়ির চালক সইদুর রহমান ও দুই যাত্রী মুহাম্মদ আসিরুদ্দিন ও আমিরুল ইসলাম৷ চাঁচল এলাকায় শ্রমিকদের খোঁজে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন৷ সেই সময় ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা৷

জিয়াগাছির বাসিন্দাদের অভিযোগ, এখানে রাস্তায় একটি বাঁক আছে। নেই কোন ব্যারিকেড। কোন ব্যারিকেড না থাকায় দ্রুতগতিতে যানবাহন চলাচল করে। ফলে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা লেগেই থাকে। আমাদের দাবি, পুলিশ এখানে দ্রুত ব্যারিকেড লাগিয়ে গতি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করুক। যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা খুব সহজেই এড়ানো যায়।

চাঁচলের এসডিপিও সজলকান্তি বিশ্বাস জানান, মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে মালতিপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সকলকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।