জলপাইগুড়িঃ বিরাট দুর্ঘটনা। জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ ১৩ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করল। জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল সূত্রে খবর জখমদের চিকিৎসা চলাকালীন মোট ১৩ জন মৃত বলে জানাচ্ছে।আরও মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার মধ্যরাত পার হওয়ার কিছু আগে ধূপগুড়ির জলঢাকা সেতুর কাছে তেমনই পাথর বোঝাই ডাম্পার নিয়ন্ত্রণ হারায়। সেটি উল্টে যেতেই পিছনে থাকা দুটি যাত্রী বোঝাই গাড়ি পরপর ডাম্পারের উপর এসে পড়ে।

সেই দুটি গাড়ির উপর হুড়মুড়িয়ে পাথরের স্তূপ আছড়ে পড়ে। যাত্রীদের চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে দেখেন ভয়াবহ দৃশ্য। জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, পুলিশ ও দমকল নেমেছে উদ্ধারে।

পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ। এলাকাবাসী তীব্র ক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। ধূপগুড়ি দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকা। কিন্তু এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা সাম্প্রতিক অতীতে হয়নি।

(সর্বশেষ আপডেট ০১টা ১৭ মিনিটে)

জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকা। পাথর বোঝাই লরি, ডাম্পার চলাচল করে এই এলাকায়। অভিযোগ, ডাম্পারগুলি সড়ক আইন না মেনে চলাচল করে। বারে বারে ধুর্ঘটনা হয় ধূপগুড়িতে।

(সর্বশেষ আপডেট- ০১টা বেজে ১০ মিনিটে)

মর্মান্তিক দুর্ঘটনা জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে। পাথর বোঝাই ডাম্পারের ধাক্কায় বহু মৃত্যুর আশঙ্কা। যদিও এখনও পর্যন্ত চারজনের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। গুজরাটের সুরাটের পর আরও এক পথ দুর্ঘটনার সংবাদ এসেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ধুপগুড়ির জলঢাকা সেতুর কাছে ময়নাতলি এলাকায়। জানা যাচ্ছে, সেখানেই উল্টে গিয়েছে পাথর বোঝাই ডাম্পার। সেই ডাম্পারে আরও একটি গাড়ি ধাক্কা মারে।

ঘটনাস্থলেই অনেকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশবাহিনী। কি কারণে এই ঘটনা তা জানার চেষ্টা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।