মিলান: লেচ্চের কাছে দ্বিতীয়স্থানে থাকা ল্যাজিওর হারের খবর শুনেই মাঠে নেমেছিল জুভেন্তাস। ইব্রাদের বিরুদ্ধে জয় মঙ্গলবার ল্যাজিওর চেয়ে দশ পয়েন্ট এগিয়ে দিত রোনাল্ডোদের। ফলে চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্যে বড়সড় লাফ দিত জুভেন্তাস। কিন্তু এসি মিলানের কাছে ২-৪ গোলে হেরে সেই সুযোগ হাতছাড়া হল রোনাল্ডোদের।

দু’গোলে এগিয়ে গিয়েও এদিন এসি মিলানের কাছে ২-৪ গোলে হেরে বসল জুভেন্তাস। বলা যায় দ্বিতীয়ার্ধে এসি মিলানের পাঁচ মিনিটের ঝড়ে উড়ে গেল জুভেন্তাস। প্রথমার্ধ নিষ্ফলা থাকার পর এদিন ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেই সবক’টি গোল হয়। ৪৭ মিনিটে একক দক্ষতায় আদ্রিয়েন র‍্যাবিয়ট গোল করে এগিয়ে দেন জুভেন্তাসকে। এর ঠিক ছ’মিনিট বাদে চলতি মরশুমে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ২৬তম লিগ গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় জুভেন্তাস। কিন্তু ম্যাচে তখনও ষোলো-আনা টুইস্ট বাকি ছিল।

৬২ মিনিটে সেই টুইস্টের সূচনা হয় ইব্রাহিমোভিচের গোল দিয়ে। বক্সের মধ্যে বোনুচ্চি হ্যান্ডবল করলে পেনল্টি পায় মিলান। স্পটকিক থেকে ব্যবধান কমান সুইডিশ তারকা। চার মিনিট বাদে জুভেন্তাস রক্ষণকে বোকা বানিয়ে ম্যাচে মিলানকে সমতায় ফেরান ফ্র্যাঙ্ক কেসি। এক মিনিট বাদে ফের গোল। এবার প্রতি-আক্রমণ থেকে গোল করে যান মিলানের রাফায়েল লিয়াও। তবে এক্ষেত্রে জুভেন্তাস দুর্গের শেষ প্রহরী সেজনির গোলকিপিংয়েও দায়ী করা যায় অনেকাংশেই। সবমিলিয়ে মিলানের পাঁচ মিনিটের ঝড়েই পাশা পালটে যায় ম্যাচের। দু’গোলে এগিয়ে যাওয়া জুভেন্তাস আর সমতা ফেরাতে পারেনি ম্যাচে।

রুগানির একটি দুরন্ত হেড মিলান গোলরক্ষক ডোনারুমার দস্তানায় প্রতিহত হয়। উলটে ৮০ মিনিটে জুভের কফিনে আরও একটি পেরেক পুঁতে দেন আন্তে রেবিচ। তাঁর বাঁ-পায়ের জোরালো শট সেজনির নাগাল এড়িয়ে জালে জড়িয়ে যায়। এই জয়ের ফলে ৩১ ম্যাচে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে পাঁচ নম্বরে উঠে এল এসি মিলান। পক্ষান্তরে ম্যাচ হেরেও শীর্ষেই রইল মৌরিজিও সারির জুভেন্তাস। ৩১ ম্যাচে তাদের সংগ্রহে ৭৫ পয়েন্ট। দ্বিতীয়স্থানে থাকা ল্যাজিওর চেয়ে ৭ পয়েন্টে এগিয়ে তাঁরা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ