কলকাতা:   মার্চেই তীব্র দাবদাহে পুড়ছে গোটা শহর। তীব্র দাবদাহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এসির চাহিদা। এসির চাহিদার সঙ্গেই পাল্লা দিচ্ছে বিদ্যুতের চাহিদাও। সিইএসসি মনে করছে, সিইএসসি এলাকায় বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ২০৩৫ মেগাওয়াটে গিয়ে দাঁড়াতে পারে। মূলত এসি-র ব্যবহার বাড়ছে বলেই চাহিদা এতটা ঊর্ধ্বমুখী বলে মত তাঁদের। সিইএসসি জানাচ্ছে, আগামিদিনে অর্থাৎ এপ্রিল-মে মাসে চাহিদা আরও বাড়বে। ফলে চাহিদা অন্য বছরের তুলনায় ছাপিয়ে যাবে। সিইএসসি সূত্রে খবর, এ বছর শুধু ফেব্রুয়ারি এবং মার্চে ১০,৫০০ এসি-র আবেদন জমা পড়েছে। গত বছর যা ছিল মাত্র ৭০০০। মার্চের শুরু থেকেই এ বছর তাপমাত্রা ধাপে ধাপে বেড়েছে। মাঝে দু’-এক দিন ঝড়-বৃষ্টিতে তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও, বিদ্যুতের চাহিদা সে ভাবে কমেনি।  সিইএসসি-র দাবি, ২৯ মার্চ বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ওঠে ১৭১১ মেগাওয়াট। এপ্রিলে গরম বাড়লে চাহিদা ১৯৭০ মেগাওয়াটে পৌঁছবে। মে মাসে চাহিদা কমপক্ষে ২০৩৫ মেগাওয়াটে গিয়ে শেষ হবে বলেই সংস্থার অনুমান। গত বছর সিইএসসি এলাকায় বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা উঠেছিল ২০০০ মেগাওয়াটের কিছু বেশি।