স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: অভিনব উদ্যোগ রাজ্যের মন্ত্রী ও স্থানীয় বিধায়ক শ্যামল সাঁতরার। দুর্ঘটনাগ্রস্ত মানুষদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দিতে পুলিশের হাতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুল্যান্স তুলে দিলেন। শুক্রবার এক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বাঁকুড়ার কোতুলপুর থানায় এই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবার সূচনা করেন তিনি। এদিন এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুরের এসডিপিও প্রিয়ব্রত বক্সী, কোতুলপুরের বিডিও পরিমল গায়েন, ওসি রাজীব কুমার পাল এবং জয়পুরের ওসি শেষ কুমার প্রমুখ।

২০১৯-২০ আর্থিক বছরে কোতুলপুর (তফঃ) বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শ্যামল সাঁতরা তাঁর এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা শুরু হল বলে জানা গিয়েছে। থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক, থানার নিজস্ব ফোন নম্বর ছাড়াও আগামী দিনে একটি নির্দিষ্ট নম্বরে যোগাযোগ করে অতি স্বল্পমূল্যে কোতুলপুর থানা এলাকার মানুষ এই পরিষেবা পাবেন বলে জানানো হয়েছে।

পরে বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা বলেন, কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে প্রথমে খবর আসে পুলিশের কাছে। থানায় অ্যাম্বুল্যান্স থাকলে অতি সহজেই আহতদের নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছনো সম্ভব। একই সঙ্গে থানা এলাকার যেকোনও অসুস্থ মানুষ চাইলেই এই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবার সুযোগ নিতে পারবেন। ইতিমধ্যে কোতুলপুর ব্লক এলাকার ৮টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬টিতে এই পরিষেবা চালু রয়েছে। এবার নবতম সংযোজন কোতুলপুর থানাতেও অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা পাওয়া যাবে। অতি স্বল্প মূল্যে থানা এলাকার মানুষ এই পরিষেবা নিতে পারবেন বলে তিনি জানান।

শুক্রবারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিষ্ণুপুরের এসডিপিও প্রিয়ব্রত বক্সী কোতুলপুরের ওসি রাজীব কুমার পালকে পাশে নিয়ে স্থানীয় বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বছরের ৩৬৫ দিন ২৪ ঘণ্টা সাধারণ মানুষ এই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা পাবেন। এর জন্য কোনও অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই শুধুমাত্র তেল খরচের বিনিময়ে তাদের এই সুযোগ দেওয়া হবে বলে।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।