স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : পদ রয়েছে কিন্তু উপযুক্ত নিয়োগ হচ্ছে না কলেজে। মানা হচ্ছে না ইউজিসি ও সিএসসি’র নিয়ম। বেনিয়মে হচ্ছে নিয়োগ। এরই প্রতিবাদ করছে এবিভিপি। দাবি সঠিক নিয়োগের। এবিভিপি’র পক্ষে জানানো হয়েছে , ‘পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে ইউজিসি ও সিএসসি’র নিয়ম নীতিকে সঠিকভাবে না মেনে বা যথাযথ যোগ্যতার মাপকাঠির বিচার না করে বিগত কয়েক বছর ধরে রাজ্য সরকার কলেজগুলিতে প্রায় ১৪ হাজারের অধিক আংশিক অধ্যাপক নিয়োগ করে।

এই নিয়োগ সংক্রান্ত গলদ থাকার কারণে রাজ্য সরকার তা নিয়ে প্রথমে বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও পরবর্তী সময়ে সরকার ঘুরপথে SACT-দের ২ ক্যাটাগরিতে ভাগ করে নিয়োগ করছে।’

তাঁরা আরো জানাচ্ছেন , ‘অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে সরকার ইউজিসি’র নিয়মানুযায়ী কলেজে পড়ানোর যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও তাদের দলের অনুগামী ব্যক্তিকে নিয়োগ করছে। এরফলে একাধারে প্রকৃত উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিতরা যেমন নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছে তেমনি অপরধারে কলেজে কলেজে ছদ্ম শিক্ষিত তৃণমূলী বুদ্ধিজীবী তৈরি করে কলেজগুলিকে আগামী দিনে রাজনৈতিক আখড়ায় পরিণত করার উদ্দেশ্য ও ভোট বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে বর্তমান শাসকদল।’

তাঁদের দাবী, ‘শিক্ষার মতো পবিত্র ক্ষেত্রে যে ঘৃণ্য রাজনীতি বাম সরকার প্রবেশ করিয়েছিল বর্তমান সরকার সেই পথকে আরও সুদৃঢ় করেছে। ফলশ্রুতি হিসেবে কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা যথাযথ শিক্ষায় শিক্ষিত না হওয়ার ফলে তাদের সার্বিক বিকাশ হচ্ছে না। কলেজের শিক্ষার আগ্রহ হারিয়ে তারা গৃহ শিক্ষকের প্রতি বেশি নির্ভরশীল হচ্ছে। এককথায় পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার মান ক্রমশ নিম্নগামী হয়ে চলেছে।’

বিদ্যার্থী পরিষদ স্পষ্ট জানাচ্ছে যে, ‘SACT( State Aided College Teacher) এর মাধ্যমে যে অস্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া রাজ্যে সরকার করছে সেটা খুবই হতাশজনক । তাই অবিলম্বে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, প্রকৃত উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিতদেরকে শূন্যপদ গুলিতে UGC ও CSC বিধি মেনে অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ করতে হবে।

যেসকল অতিথি অধ্যাপক দীর্ঘ সময়ব্যাপী আংশিক সময়ের অধ্যাপনার কাজ করে এসেছেন তাঁদের ক্ষেত্রেও সঠিক মূল্যয়নের মাপকাঠির ভিত্তিতে ও স্থায়িকরণের উপর নজর দিয়ে কলেজগুলোতে পঠন-পাঠনের ব্যাবস্থা দ্রুত করতে হবে।’

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।