সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : এতদিন যা পড়ে এসেছে পড়ুয়ারা তা আদতে বামপন্থীদের ভ্রান্ত বিকৃত করা ইতিহাস এবং কংগ্রেসের মতো স্বার্থান্বেষী দলের তোষণের ইতিহাস। নয়া শিক্ষানীতি এই ইতিহাসকে ভুলিয়ে নতুন দিক খুলে দেবে। তৈরি করবে আত্মনির্ভর ভারত। নয়া শিক্ষানীতি নিয়ে বিরোধীদের এভাবেই আক্রমণ করে তাকে স্বাগত জানাল এবিভিপি।

তারা জানাচ্ছে, ‘বহু প্রতীক্ষিত নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানায় বিদ্যার্থী পরিষদ। নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি আগামীদিনে দেশের আশা আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আত্মনির্ভর ভারত গঠনে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে।’

গেরুয়া ছাত্র সংগঠন জানাচ্ছে, ‘ভারতের শিক্ষিত নাগরিকরা দীর্ঘকাল ধরে শিক্ষা ব্যবস্থায়- জ্ঞান ভিত্তিক, কর্মমুখী, প্রযুক্তিমুখী এবং চূড়ান্ত উন্নয়নের দিকে মনোনিবেশ করার জন্য জাতীয় শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন প্রত্যাশা করে আসছিলেন। নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি সাধারণ ভারতীয়দের পূর্বোক্ত আকাঙ্খা গুলিকে পূরণ করতে সমর্থ হবে।’ নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি প্রসঙ্গে দক্ষিণবঙ্গ প্রান্ত সম্পাদক শ্রী সুরঞ্জন সরকার জানিয়েছেন, ‘বামপন্থীদের ভ্রান্ত বিকৃত করা ইতিহাস এবং কিছু স্বার্থন্বেষী রাজনৈতিক দলের তোষণের ইতিহাস পড়া থেকে মুক্তি পাবে আগামী প্রজন্মের ছাত্র-ছাত্রীরা।সেইসাথে আধুনিক বাস্তবমূখী ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থায় ভারতীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের মূর্ত প্রতীক হিসেবে এই নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি শিক্ষা ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত রচনা করবে।’

এছাড়াও এবিভিপি-র সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদিকা সুশ্রী নিধি ত্রিপাঠি মহাশয়া জানিয়েছেন যে, ‘ভারতীয় মূল্যবোধ অনুসারে এবং বৈশ্বিক মান অনুযায়ী ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থায় যে সংস্কারের প্রয়োজন ছিল তা পূর্বের সরকারগুলি দীর্ঘকাল ধরে প্রত্যাখ্যান করে এসেছে। আমরা আশা করি যে নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি এবং এর দ্বারা প্রকাশিত সংস্কারগুলি কোটি কোটি শিক্ষার্থী নিয়ে গঠিত ভারতীয় ছাত্র ভ্রাতৃত্বকে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত করতে সহায়তা করবে। সরকারকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে এই সংস্কারগুলি কোনওভাবে দেরি না করে অতিদ্রুত তা বাস্তবায়িত করা। আমরা ভারত সরকার এবং কমিটির প্রতিটি সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই যারা এই নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি গঠনে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.