সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : বিশ্বভারতী ঘটনার বিরুদ্ধে সিবিআই দফতরে অভিযান করল এবিভিপি। দাবি সিবিআই তদন্তের। নালিশ গেল আচার্য নরেন্দ্র মোদীর কাছেও।

বিশ্বভারতীতে ভাঙচুরের কাণ্ডে অভিযুক্তদেরকে সিবিআই তদন্তের মাধ্যমে উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে কলকাতায় ‘সিবিআই দফতর চলো’ অভিযান করে এবিভিপি । সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্ক থেকে শুরু হয় এই প্রতিবাদী মিছিল। উপস্থিত ছিল প্রায় ২০০ ছাত্র-ছাত্রী। সিবিআই দফতরের সামনে গিয়ে এই মিছিল শেষ হয়। এরপর সিবিআইয়ের উর্ধ্বতন আধিকারিকের সঙ্গে এই বিষয়ে বিস্তারিতভাবে এই ঘটনা প্রসঙ্গে আলোচনা করে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। জমা দেয় ডেপুটেশন।

পাশাপাশি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ এর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিট এর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হয়। এবং একই ডেপুটেশন বিশ্ববিদ্যালয় আচার্য হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছেও দেওয়া হয়।

পৌষ মেলার মাঠে পাঁচিল তোলা নিয়ে ঘটে যাওয়া কুশ্রী ঘটনা। এই দাবি জানিয়ে শনিবার দুপুর একটা নাগাদ এবিভিপি অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছিল। তাঁরা জানিয়েছিল , ‘মৌন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্থাপিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে শাসকদলের বিধায়কের উপস্থিতিতে ও বহিরাগত গুন্ডাদের দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয়কে ধ্বংস করার প্রচেষ্টাকে বিদ্যার্থী পরিষদ ধিক্কার জানায়।’ দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতেই তাঁরা এই মৌন মিছিল করছে বলে জানিয়েছিল। সোমবার অবশ্য আর মিছিল মৌন ছিল না। ঘটনার তদন্তের দাবিতে সরব হয় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। এরও আগে বিদ্যার্থী পরিষদ জানিয়েছিল , বিশ্বভারতীর ঘটনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অপমান এবং বাঙালি তথা ভারতীয় সংস্কৃতি ধ্বংসের অপচেষ্টা।

এই ঘটনায় এবিভিপি রাজ্য সম্পাদক সুরঞ্জন সরকার জানিয়েছিলেন, ‘বিশ্বভারতী ভাঙচুরের ঘটনা বাঙালি তথা ভারতীয় মহান মনীষী কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অপমান এবং বাঙালি তথা ভারতীয় সংস্কৃতি ধ্বংসের অপচেষ্টা। পূর্ব পরিকল্পিত এই ধ্বংসলীলা বিকৃত মানসিকতার ও নিম্নরুচি সম্পন্ন বর্তমান শাসকদলের দুষ্কর্মের ফল।’ তাঁরা দাবী করেছিল , ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা ও অন্যান্যদের কর্মচারীদের সুরক্ষার স্বার্থে ও বিশ্বভারতীর সুনাম ও ঐতিহ্যকে অক্ষত রাখতে আমরা এবিভিপি বিশ্বভারতী ইউনিটের পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। পাশাপাশি বিশ্বভারতীতে যারা বহিরাগত প্রবেশে মদত দিয়েছে, তাদেরকে চিহ্নিত করে বিশ্বভারতী থেকে বহিষ্কারের দাবি জানাই।’

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।