স্টাফ রিপোর্টার, মেদিনীপুর: রক্ষকই ভক্ষক! হাসপাতালে সিটি স্ক্যান করাতে গিয়ে হাসপাতাল কর্মীর হাতে শ্লীলতাহানির শিকার হলেন এক বিবাহিতা আদিবাসী তরুণী৷

এই অভিযোগে সোমবার গভীর রাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল৷ খবর পেয়ে পুলিশ এসে হাসপাতালের অভিযুক্ত অস্থায়ী কর্মীকে গ্রেফতার করে৷

আরও পড়ুন: মোবাইলে বান্ধবীর অশ্লীল এমএমএস তুলে ভাইরাল করল বন্ধুরা

মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতার সঙ্গে মেডিক্যাল কলেজে দেখা করতে যান স্থানীয় বিধায়ক দীনেন রায়৷ পরে দীনেনবাবু বলেন, ‘‘এই ধরনের ঘটনা কাম্য নয়৷ অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি দাবি জানিয়েছি৷’’

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা মহিলার বাড়ি মেদিনীপুর শহর লাগোয়া ভগীরথে৷ পারিবারিক বিবাদকে কেন্দ্র করে সোমবার সকালে গোলমালের জেরে পরিবারের দুই মহিলা সদস্য সহ পাঁচজন গুরুতর আহত হয়৷ তাঁদের ভরতি করা হয় মেদিনীপুর মেডিক্যালে৷

আরও পড়ুন: ৯০ দিনের মধ্যে বিশেষজ্ঞ কমিটি রিপোর্ট দেবে সপ্তম বেতন কমিশনের জন্য

রাতে ২জন মহিলার সিটি স্ক্যান করার নির্দেশ দেন চিকিৎসকেরা৷ অভিযোগ, সিটি স্ক্যান করাতে গেলে ফাঁকা রুমে বছর কুড়ির ওই তরুণীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে অস্থায়ী কর্মী প্রসেনজিৎ দাস৷ মহিলার চিৎকারে রুমের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা তার ভাইপো সন্তোষ শর্মা ছুটে যায়৷

সন্তোষের অভিযোগ, ‘‘কাকিমার চিৎকারে দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকে দেখি কাকিমার কাপড় হাঁটুর ওপর তোলা৷ প্রসেনজিৎ কাকিমার মুখ চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে৷’’ চিল-চিৎকারে জড়ো হন স্থানীয় মানুষ৷ গণপ্রহারের পর অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়৷ লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ধৃতকে গ্রেফতার করেছে৷ আজ, মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে৷

আরও পড়ুন: উচ্চ মাধ্যমিকে প্রশ্ন ফাঁসে তদন্তের নির্দেশ