প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার,বাঁকুড়া: বছর দশেকের এক নাবালকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল বাঁকুড়ার  পাত্রসায়র থানার বীরসিংহ গ্রামে। মৃতের নাম প্রীতম মল্লিক।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতের বাবা-মা একটি মামলার জেরে মেদিনীপুর সংশোধনাগারে রয়েছেন। সেই কারণে সে গ্রামে তার জেঠু-জেঠিমার কাছেই থাকতো।

বুধবার সকালে পেশায় সবজি বিক্রেতা জেঠু গণেশ মল্লিক অন্যান্য দিনের মতো এদিন সকালে বেরিয়ে যান, জেঠিমাও স্নানে চলে যান। জেঠিমা বাড়ি ফিরেই প্রীতমকে তার পড়ার ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। প্রতিবেশীদের সাহায্য নিয়ে দ্রুত ওই নাবালককে পাত্রসায়র ব্লক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

মৃতের জেঠু গণেশ মল্লিক বলেন, আমি রোজকার মতো এদিন সকালেও সবজি বিক্রি করতে বেরিয়ে গেছি। পরে ফোন পেয়ে আমি বাড়ি ফিরে আসি। কি করে এই ঘটনা ঘটলো তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না বলে জানান।

মৃত প্রীতম মল্লিকের মামা বাড়ির এক আত্মীয় বলেন, এই ঘটনার পর ওর বাড়ির তরফে তাদের কোন খবর দেওয়া হয়নি। লোকমুখে শুনেই তারা হাসপাতালে ছুটে এসেছেন। আত্মহত্যা নয়, তাদের ভাইঝির ছেলেকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তার অভিযোগ।

পুলিশের পক্ষ থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে এই ঘটনা খুন না আত্মহত্যা সেবিষয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প