কলকাতা : বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal election) সাফল্য পাক তৃণমূল কংগ্রেস। এই আশাতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে শুক্রবার সারাদিন ধরে চলল মহাযজ্ঞ। এরই সাথে হল জগন্নাথ দেবের (Lord Jagannath)পুজো। জগন্নাথ মন্দিরের সেবায়েতদের হাতেই পুজো ও যজ্ঞ হল এদিন। আহুতি দিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek performs puja)।

মমতার কালীঘাটের বাড়িতে (Mamata’s residence) এদিন যজ্ঞ চলে। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের প্রধান সেবায়েত হাজির ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। তাঁর নেতৃত্বেই যজ্ঞ ও পুজো করা হয়। মমতার বাড়ির যে ঘরটি সাংবাদিক সম্মেলনের জন্য ব্যবহার করা হয়, সেই ঘরটিতেই পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। পুজো করেন মন্দিরের সেবায়েত জগন্নাথ দয়িতাপতি।

তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় পুজোয় লোকসমাগম ছিল বেশ কম। করোনা সংক্রমণের কারণেই লোক নিমন্ত্রণে রাশ টানা হয়। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে পুজোর নানা কাজে হাত লাগান। প্রতি বছরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ধুমধাম করে কালী পুজো হয়। এবছরও সেই ছবি দেখা গিয়েছিল। তবে ঠিক কী কারণে এই মহাযজ্ঞ, তা অবশ্য খোলসা করে বলেনি তৃণমূল নেতৃত্ব।

যজ্ঞের দিন নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণার দিনেই কেন মহাযজ্ঞের আয়োজন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তা একাধিক ব্যাখ্যা দিচ্ছে রাজনৈতিক মহল। ভোটের ফল যেন অনুকূলে যায়, সেই কামনা করতেই কী যজ্ঞ প্রশ্ন উঠছে। তবে মমতা ঘনিষ্ঠ মহলের মত নিছকই কাকতালীয় ব্যাপার এটি। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা ও মমতার বাড়িতে যজ্ঞের দিন একই হওয়া নেহাতই কাকতালীয়।

অন্যদিকে, আরেক মহলের মত অভিষেকের বাড়িতে সিবিআই হানার পর পরিবারের মঙ্গল কামনাতেই এই পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল, এর সঙ্গে ভোটের দিনক্ষণের কোনও সম্পর্ক নেই। প্রতিবরই পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে এই সময় পুরী যান অভিষেক। এই বছর নির্বাচনের প্রচারের ব্যস্ত শিডিউল ও করোনা সংক্রমণের ভয়, এই দুইয়ের কারণে পুরী যাত্রা বাতিল করেছেন তাঁরা। তাই বাড়িতেই পুজোর আয়োজন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।