স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিত বিশ্বাস খুনে বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছে তৃণমূল৷ অন্যদিকে, বিজেপি শিবির থেকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকেই এই খুনের পিছনেই দায়ী করা হচ্ছে৷ সোমবার নিহত তৃণমূল বিধায়কের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হাঁসখালিতে উপস্থিত হন তৃণমূল কংগ্রেসের যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷

তিনি জানিয়েছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরনগরে সভা করতে আসেন৷ তার কয়েকদিনের মধ্যেই এই খুনের ঘটনা ঘটল৷ বার বার লোডশেডিং হয় সেদিন৷ এটা যে পূর্ব পরিকল্পিত, তা অস্বীকার করা যায় না৷ পাশাপাশি, যে বন্দুকে খুন হন তৃণমূল বিধায়ক, সেই সব বন্দুক কোথা থেকে আসছে, সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কাদের৷ এই প্রশ্ন তুলে অভিষেক বলেন, ‘এদের নীতি নৈতিকতা কিছু নেই৷ প্রধানমন্ত্রীর ইস্তফা দেওয়া উচিত৷’

সেই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দিয়ে জানান, নিহত সত্যজিত বিশ্বাসের পরিবারের পাশে দল রয়েছে৷ যারা জড়িত , তারা অন্যত্র চলে গেলেও পার পাবে না৷ তাদের ঘাড় ধরে বের করে আনা হবে৷ তাঁর এই বক্তব্যে তিনি নাম না করে বিজেপি নেতা মুকুল রায়কেই যে ইঙ্গিত করেছেন, তেমনটাই মনে করছে অনেকে৷

প্রসঙ্গত, সত্যজিত বিশ্বাস খুনে প্রথম থেকেই নাম জড়ায় মুকুল রায়ের৷ মুকুল রায় সাংবাদিক বৈঠক করে তার পাল্টা দিলেও, দলীয় নেতার নাম জড়ানোয় গেরুয়া শিবিরে অস্বস্তি বেড়েছে বলেই মুকুল রায়কে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে দলের তরফে এই বিষয়টিকে রুটিন ভিজিট বলে উল্লেখ করা হলেও সূত্রের খবর, হাঁসখালিতে বিধায়ক খুনের ঘটনা নিয়েই তড়িঘড়ি এই তলব৷ রবিবারই দিল্লি পৌঁছেছেন তিনি।