ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ‘তোলাবাজ ভাইপো’ বলায় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা নব্য বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে আইনি নোটিশ পাঠালেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও প্রমাণ ছাড়াই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে তোলাবাজির অভিযোগ আনা হয়েছে বলে ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে মানহানি মামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অভিষেক।

চিঠিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শুভেন্দুকে জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও এই ধরনের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে হবে শুভেন্দুকে৷ যদি তিনি তা না করেন, সেক্ষেত্রে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন অভিষেকের আইনজীবী৷ এ বিষয়ে এখনও শুভেন্দু অধিকারীর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি৷

প্রসঙ্গত, মেদিনীপুরে অমিত শাহের সভায় বিজেপিতে যোগ দিয়ে ওই মঞ্চ থেকেই শুভেন্দু স্লোগান তুলেছিলেন, ‘তোলাবাজ ভাইপো’ হঠাও। তবে অভিষেকের নাম করেননি তিনি। তবে খেজুরির সভামঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারীর মুখে শোনা গিয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। তিনি বলেছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে তোলাবাজ ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোলাশ্রী পুরস্কার দেওয়া হবে। কয়লা, বালি, গরু সবকিছুর তোলাবাজির সঙ্গে ভাইপো জড়িয়ে রয়েছে বলে অভিষোগ করেছিলেন তিনি। শুভেন্দু এও বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মিথ্যাশ্রী পুরস্কার দেওয়া হবে।

খেজুরির ওই সভার কথা উল্লেখ করে আইনজীবী সঞ্জয় বসুর মাধ্যমে পাঠানো নোটিশে অভিষেক পাল্টা শুভেন্দুর বিরুদ্ধেই সারদা ও নারদা কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছেন। সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেনের একটি চিঠি ওই নোটিশের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘সারদা চিট ফান্ড কেলেঙ্কারিতে সাজাপ্রাপ্ত সুদীপ্ত সেন তাঁর চিঠিতে আপনার বিরুদ্ধেই গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। নারদা কাণ্ডেও ভিডিয়ো ফুটেজে আপনাকে ঘুষের টাকা নিতে দেখা গিয়েছে৷ আপনার নিজের কুকীর্তি চাপা দিতেই আমার মক্কেলের উদ্দেশে মিথ্যে, অসত্য, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর বিবৃতি দিয়েছেন। তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে আপনি ভয় পাচ্ছেন। আপনি দিবাস্বপ্ন দেখছেন এবং নিজে যা করেছেন, অন্যের মধ্যেও তাই দেখছেন’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।