স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: অভিষেক বন্দ্যপাধ্যায়ের মুখে এবার শোনা গেল শ্রী রামের নাম। নিজেকে রাম ভক্ত দাবি করে জানিয়ে দিলেন যে তিনিও নিয়মিত রামের পুজো করতে অভ্যস্ত।

বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের খন্ডঘোষের উখরিদ কলেজ মাঠে বিষ্ণুপুর লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী শ্যামল সাঁতরার সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে হাজির ছিলেন। সেই সভায় দাঁড়িয়ে নানাবিধ বিষয় নিয়ে আক্রমণ করেন বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদীকে।

বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদী ভোটের জন্য শ্রী রাম চন্দ্রকে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উলটো দিকে তৃণমূল রাম সহ অন্য সকল দেবতাকে সম্মান করে বলে দাবি করেছেন তিনি। তৃণমূলের যুবরাজের কথায়, “আমরাও প্রভু শ্রীরামের পুজো করি। পুজো করি লক্ষ্মী, গণেশেরও। কিন্তু বিজেপি শ্রীরামকে বিক্রি করছে ভোটের জন্য।”

হিন্দু বা হিন্দুত্বের বিষয়ে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ে সরাসরি আক্রমন করেছেন নরেন্দ্র মোদীকেই। তিনি বলেছেন, “মোদীর এত আস্পর্ধা যে নোট বন্দির নাম করে কোটি কোটি মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে। তার মধ্যে ১৫০ জন মারাও গেছে। তারা সবাই হিন্দু।” একের পর এক বিভি্ন্ন ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, “হিন্দুদের জন্য বিজেপি সরকার কি করেছে? মোদী বলেছিলেন ক্ষমতায় আসলে রামমন্দির তৈরি করবেন। কিন্তু গত ৫ বছরে একটাও ইঁট গাঁথা হয়নি রামমন্দিরের জন্য।”

ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের বিদায়ী সাংসদ এবং সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে ঘাস ফুলের প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে তৃণমূল কংগ্রেস জাতপাতের ধর্মের রাজনীতি বিশ্বাস করে না। তাই সমস্ত শ্রেণীর মানুষের জন্যই উন্নয়ন ঘটিয়ে চলেছে।

খুব অবাকভাবে পশ্চিমবঙ্গের ভোট এবারক যেন রামকেন্দ্রীক হয়ে পড়েছে৷ অন্য সব ইস্যুকে ছাপিয়ে দশরথ পুত্র শ্রী রামচন্দ্রই ভোটের সবচেয়ে বড় তরুপের তাস৷ এর শুরুটা অবশ্য আজ নয় কয়েকদিন আগে মেদিনীপুরে হয়েছিল৷ নির্বাচনী প্রচারে চন্দ্রকোনার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ের সামনে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দেন কিছু সাধারণ গ্রামবাসী৷ আর তাতেই চটে গিয়ে গিয়ে কনভয় থামিয়ে রাস্তায় নেমে এসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাকে গালাগাল দিচ্ছে! সাহস থাকলে সামনে আয়৷ পালাচ্ছিস কেন? সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর এরপর ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দেওয়ার ‘অপরাধে’ তিনজনকে আটক করে পুলিশ৷ পুরো ঘটনার কড়া সমালোচনা করা হয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে৷

বুধবার পুরুলিয়ার কোটশিলার জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ইলেকশন এলেই রামচন্দ্র সীতা মাইয়াকে ডাকে৷ ডেকে বলে, সীতা মা সীতা মা আমার মনে হচ্ছে ভারতবর্ষে ভোট এসে গেছে৷ তখন সীতা বলে, কেন ? কেন? তখন রাম বলে, দেখছো না বিজেপি আমার নাম স্মরণ করছে৷ পাঁচ বছর করে না৷ ভোট এলেই রামনাম সত্য হ্যায় আর রামনাম জিন্দাবাদ করে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।