সাতগাছিয়া: তৃণমূলের অন্দরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অস্বস্তি রয়েছে, এমন বিষয় বারবার সামনে এসেছে। আর তা নিয়ে নিশানা করতে ছাড়েনি বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে কৈলাশ বিজয়বর্গী, কেউই ‘ভাইপো’কে আক্রমণ করতে ছাড়েননি। আর এই ভাইপো শব্দ নিয়েই এবার আপত্তি তুললেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাতগাছিয়ায় রবিবার ছিল তাঁর জনসভা। ‘ভাইপো’ ডাক নিয়ে আক্রমণ করলেন অভিষেক। সভার শুরুতেই এদিন তিনি বললেন, ”ভাইপো বলে বারবার আমাকে ডাকা হয়েছে। যে ভারতীয় জনতা পার্টি আমাকে বারবার ভাইপো বলে ডাকছে, তাদের সাহস থাকলে আমার নাম ধরে ডাকুক। বিজেপির ছোট, ব়ড়, মাঝারি নেতা আমাকে বারবার ভাইপো বলে ডেকেছে।”

শুধু বিজেপি নয়, রবিবার অভিষেকের আক্রমণের তির ছিল কংগ্রেস-সিপিএমের দিকেও। তিনি বলেন, ”কংগ্রেস, সিপিএম, সবার আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু ভাইপো। কিন্তু কেউ নাম নিতে পারে না। বুকের পাটা থাকলে নাম নিয়ে দেখাক। যিনি আমার নাম নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছেন, তাঁকে আমি আদালতের রাস্তা দেখিয়েছি। তাই বলছি, যদি সাহস থাকে, তাহলে আমার নাম নিয়ে বলুন।”

সম্প্রতি ‘ভাইপো’ ইস্যুতে উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি। গত ২১ নভেম্বর একটি সমাবেশে বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং এ রাজ্যের দায়িত্বে থাকা কৈলাস বিজয়বর্গীয় সরাসরি নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘ভাইপো’ বলে নিশানা করেছিলেন।

সাম্প্রতিককালে বারবার তৃণমূলের নেতাদের আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে অভিষেককে। মন্ত্রিত্ব ছাড়ার কয়েকদিন আগে একটি জনসভা করেন শুভেন্দু। আর সেখানে তিনি মন্তব্য করেছিলেন, ‘আমি লিফটেও উঠিনি, প্যারাশ্যুটেও নামিনি।’ আদতে তিনি অভিষেককেই নিশানা করেছিলেন বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল।

তাই মন্ত্রিপদে ইস্তফা দেওয়ার পর জবাব দিতে ছাড়লেন না অভিষেক।

এদিন নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে কটাক্ষ করে অভিষেক বলেছেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাতারাতি তৈরি হননি। তৃণমূলে কেউ রাতারাতি নেতা হননি। তৃণমূলে কেউই প্যারাশুটে নামেনি, লিফটে ওঠেনি। লিফটে উঠলে আমিও একগুচ্ছ পদের অধিকারী হতাম। প্যারাসুটে নামলে দক্ষিণ কলকাতার প্রার্থী হতাম। তৃণমূল মা, মায়ের সঙ্গে বেইমানি নয়। স্বার্থের জন্য মায়ের সঙ্গে কেউ বিশ্বাসঘাতকতা করলে আপনারা কি ছেড়ে দেবেন? বিশ্বাসঘাতকতা করলে তৃণমূলকর্মীরা কড়ায় গণ্ডায় জবাব দেবে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।