খণ্ডঘোষ: নির্বাচন কমিশনের কোপে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাধ্য হয়েই আজ দিনভর তাঁর প্রচার সভা বাতিল করেছেন। তবে তাতে দমছে না তৃণমূল। ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ প্রচারে ঝড় তুললেন। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের সভা থেকে বিজেপিকে তুলোধনা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘‘একজন মহিলাকে হারাতে গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, অসম থেকে নেতারা বাংলায় ডেলিপ্যাসেঞ্জারি শুরু করেছেন’’, এদিন খণ্ডঘোষের সভা থেকে এভাবেই গেরুয়া শিবিরকে বিঁধলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন খণ্ডঘোষের সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগাগোড়া ছিলেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। মোদী-শাহ-নাড্ডাদের বিরুদ্ধে তোপ দেগে এদিন তিনি বলেন, ‘‘একজন মহিলাকে হারাতে গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, অসম থেকে নেতারা বাংলায় ডেইলি প্যাসেঞ্জারি শুরু করেছেন।’’ নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করে অভিষেকের তোপ, ‘‘বাংলার জন্য ক’পয়সা পাঠিয়েছেন? ক’টা উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েছেন? আপনাকে তথ্য পরিসংখ্যান তুলে ধরতে হবে। মোদীজির রিপোর্ট কার্ড কোথায়? আমরা বাড়িতে-বাড়িতে রিপোর্ট কার্ড পাঠিয়েছি।’’

বিধানসভা নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় ফিরলে ইশতেহারে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি পাল করবে তৃণমূল, আশ্বাস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হবেন। সরকার দুয়ারে-দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেবে। রেশন দোকানের লাইনে দাঁড়াতে হবে না।’’

এরই পাশাপাশি এদিন ফের নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনায় সরব হয়েছেন যুব তৃণমূল সভাপতি। রাজ্যে আট দফায় ভোট নিয়ে কমিশনকে কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। অভিষেক এদিন আরও বলেন, ‘‘বাংলায় বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দিতেই আট দফায় ভোট। বহিরাগতদের বাংলা থেকে বিতাড়িত করতে হবে। বিজেপি বাংলা দখল করতে চাইছে।’’

এছাড়াও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারে কমিশনের নিষেধাজ্ঞা জারি নিয়েও এদিন মুখ খুলেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, ‘‘প্রথমে পা ভাঙা হল। তারপর এজেন্সি দিয়ে ধমকানি, চমকানি। তারপর চতুর্থ দফার ভোটে পাঁচ জনকে হত্যা করল। দিদি যাতে শীতলকুচি যেতে না পারেন তার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করল। এখন প্রচারে অংশ নিতে দেবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিদিন সভা করে বলছেন ইসবার দুশো পার। তাহলে এত ভয় কিসের।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.