নয়াদিল্লি: দেশে ফিরেছেন বায়ুসেনার পাইলট অভিনন্দন। গোটা দেশ তাঁকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে তিনি আবার কবে যুদ্ধবিমান ওড়াবেন, আদৌ ওড়াতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গিয়েছে।

সোমবার বায়ুসেনা প্রধানের কাছে রাখা হয় সেই প্রশ্ন। বিএস ধানোয়া বলেন, ‘অভিনন্দনের শারীরিক ফিটনেসের উপরেই নির্ভর করবে যে তিনি আদৌ ফাইটার জেট ওড়াতে পারবেন কিনা, সেইজন্যই তাঁর মেডিক্যাল চেক-আপ করানো হচ্ছে। যেরকম চিকিৎসা প্রয়োজন, সেরকমই করা হবে। মেডিক্যাল ফিটনেস ফিরলেই ফাইটার ককপিটে ফিরবেন আভিনন্দন।’

আপাতত হাসপাতালে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা চলছে। এর মাঝে অভিনন্দন বলেছেন দ্রুত বিমান নিয়ে আকাশে উড়তে চান তিনি। এয়ার ফোর্সের উচ্চপদস্থ অফিসারদের কাছে তেমনই ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন অভিনন্দন।

রবিবারই তাঁর এমআরআই স্ক্যানের রিপোর্ট এসেছে। সূত্রের খবর, অভিনন্দনের স্পাইনাল কর্ডের নিচের অংশে আঘাতের চিহ্ন দেখা গিয়েছে। চিকিৎসকরা মনে করছেন, F-16 কে তাড়া করার সময় মিগ বিমান থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ার সময়ই আঘাত লাগে তাঁর পিঠে। সেখান থেকেই এই আঘাত।

এছাড়া তাঁর পাঁজরেও রয়েছে আঘাতের চিহ্ন। জানা যাচ্ছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মাটিতে যখন তিনি পড়ে যান তখন স্থানীয়রা তাঁকে মারধর করেছিল, তখনই পাঁজরে লাগে এই আঘাত। আগামী কয়েকদিন ধরে আরও একাধিক মেডিক্যাল টেস্ট হবে।

নিয়ম মেনেই পুরো শরীরের স্ক্যানিং করা হচ্ছে তাঁর৷ অনেক সময় যুদ্ধবন্দি সেনা অফিসারদের শরীরে মাইক্রোচিপ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়৷ সেই চিপের মাধ্যমে সেই দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য আদায় করে শত্রু দেশ৷ তাই এই স্ক্যানিং খুব জরুরি৷

বায়ুসেনার এই উইং কমান্ডারকে সাইকোলজিক্যাল পরীক্ষাও দিতে হয়েছে ইতিমধ্যেই৷ বন্দি থাকাকালীন অনেক ট্রমা ও মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে৷ তাঁর মুখ থেকে তথ্য আদায় করতে অনেক নৃশংস পন্থা অবলম্বন করতে পারে পাকিস্তান৷ তাই এই পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি৷