কলকাতা: ঐতিহাসিক প্রথম আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার সম্ভবানা নেই অভিমন্যু ঈশ্বরনের৷ তবে ইতিহাসের সাক্ষী থাকতে চলেছেন বাংলা অধিনায়ক৷ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ টেস্টের সিরিজের জন্য বিসিসিআই যে দল ঘোষণা করেছে, তাতে স্ট্যান্ড-বাই হিসেবে জায়গা পেয়েছেন প্রতিশ্রুতিময় এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান৷

১৮ জুন থেকে সাউদাম্পটনে শুরু হচ্ছে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল৷ নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক এই ফাইনাল খেলতে নামবে টিম ইন্ডিয়া। এর জন্য ২ জুনের প্রথম সপ্তাহেই ইংল্যান্ডে রওনা দিতে হবে বাংলার এই তারকা ব্যাটসম্যান। ২০ জনের ভারতীয় দলে জায়গা না-পেলেও আসন্ন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের জন্য স্ট্যান্ড-বাই হিসেবে রাখা হয়েছে বাংলার ওপেনারকে। কোনও ক্রিকেটার চোট পেলে দেশ থেকে উড়িয়ে এনেই তাঁকে খেলানো সম্ভব নয়। কারণ কোভিড আবহে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাধ্যতামূলক৷ তাই চার ক্রিকেটারকে স্ট্যান্ড-বাই হিসেবে জৈব সুরক্ষিত বলয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় বোর্ড। এঁদের একজন হলেন বাংলা অধিনায়ক৷

২০১৩ সাল থেকে প্রথমশ্রেণির ক্রিকেট খেলা ঈশ্বরন এ নিয়ে চারবার ভারতীয় দলের স্ট্যান্ড-বাই হিসেবে জায়গা পেলেন৷ ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ টেস্টের সিরিজের জন্য আরও তিন জন স্ট্যান্ড-বাই থাকলেও তিনিই একমাত্র ব্যাটসম্যান৷ ফলে ইংল্যান্ডে বিরুদ্ধে পাঁচ টেস্টের সিরিজে তাঁর খেলার সম্ভাবনা থাকছে৷ দেরাদুনে জন্ম হলেও বাংলার হয়ে খেলেন ঈশ্বরন৷ এখনও পর্যন্ত ৬৪টি প্রথমশ্রেণির ম্যাচে ৪৪০১ রান করেছেন৷ আর ৬২টি লিস্ট-এ ম্যাচে করেছেন ২৮৭৫ রান৷ দুই ক্ষেত্রেই গড় ৪০৷

শনিবার সোশাল মিডিয়া টিম ইন্ডিয়ার ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলির সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন ঈশ্বরন৷ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের মতো মঞ্চে স্ট্যান্ড-বাই হিসেবে থাকাটাও যে ভাগ্যের, তা মেনে নিচ্ছেন বাংলা অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘এই সফরে আমি প্লেয়ার হিসেবে উন্নতি করতে পারলে, সেটা দারুণ হবে৷ সুযোগ পেলে সেটা করার চেষ্টা করব৷’ বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের সঙ্গে প্র্যাকটিস করা প্রসঙ্গে ঈশ্বরণ বলেন, ‘আমি আগে শুনেছি৷ তবে এবার বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা এবং চেতেশ্বর পূজারার সঙ্গে প্র্যাকটিসের সুযোগ পাব৷ ওরা দুর্দান্ত ব্যাটসম্যান৷ ম্যাচে যা করতে চাই, সেটাই ওরা নেটে করেন৷ কাছ থেকে সেটা দেখা আমার কাছে দারুণ অনুভূতি৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.