ইসলামাবাদ: আগ্রার তাজমহল বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের মধ্যে একটি। ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে আজও এই স্মৃতিসৌধ মাথা উঁচু করে রয়েছে। তাজমহলের খ্যাতি আজ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে রয়েছে। তবে আপনি জেনে অবাক হবেন, পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশে এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর প্রেমে অনেকটা এমনই একটা কাণ্ড ঘটালেন। স্ত্রী’র স্মরণে তিনি বানিয়ে ফেলেছেন তাজমহল।

পাকিস্তানের উমরকোটে আব্দুর রসুল তার স্ত্রীকে খুবই ভালোবাসতেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পরে সে বানিয়ে ফেলে তাজমহল। এখন তাঁকে আধুনিক যুগের শাহজাহান হিসেবে বলা হচ্ছে। লোকেরা বহুদূর থেকে আব্দুর রসুলের এই অসাধারণ কীর্তি দেখতে আসছেন। উল্লেখ্য এই উমরকোটেই জন্ম গ্রহণ করেছিলেন বাদশাহ আকবর। ৪০০ বছর পর তাঁর সেই জন্মস্থান আবার খবরের শিরোনামে।

আরও পড়ুন – জেলা আদালত থেকে জামিন, হাইকের্টের নির্দেশে ফের গ্রেফতার বিজেপি নেতা আনিসুর

আব্দুর রসুল বলছেন, প্রেম আপনাকে নিজে থেকেই ভালবাসতে শেখায়, এক্ষেত্রে আপনাকে কিছুই করতে হবে না, আর তাজমহল প্রেমের লক্ষণ। আব্দুর জানিয়েছে তাঁর স্ত্রী’র নাম ছিল মরিয়ম। তাঁর উদ্দেশ্যেই এই স্মৃতিসৌধ।

আব্দুর ও মরিয়ম প্রায় ৪০ বছর ধরে একসঙ্গে দিন কাটিয়েছেন। এরমধ্যে আব্দুর দু’বার ভারতে এসে তাজমহল দেখেছিলেন। এরপর থেকেই সে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন যে তিনি একটি তাজমহল বানাচ্ছেন। মরিয়ম অবশ্য তাঁকে জানিয়েছিলেন, তাজমহল দেখে আসার ফলেই এমন স্বপ্ন দেখছিল সে।

আরও পড়ুন – কোভ্যাক্সিন বা কোভিশিল্ড নেওয়ার পর কী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে? জেনে নিন

২০১৫ সালে আব্দুরের স্ত্রী মরিয়ম একদিন হঠাৎ করে অজ্ঞান হয়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিত্সকরা জানিয়ে দেয় তাঁর স্ট্রোক হয়েছে। এসময় সারাদিন রাত স্ত্রী-র সেবা যত্ন করেন আব্দুর। কিন্তু শেষরক্ষা তিনি করতে পারেননি। মৃত্যু হয় মরিয়মের।

সেই দিন থেকেই একা হয়ে গিয়েছিল আব্দুর রসুল। স্ত্রী’র স্মৃতিতে বানান তাজমহল। তিনি জানিয়েছেন, এটি তৈরিতে তাঁর ১২ থেকে ১৩ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। এখন দূর-দূরান্ত থেকে লোকেরা তাঁর তৈরি এই তাজমহল দেখতে আসে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।