ফাইল ছবি।

কলকাতা: বৃহস্পতিবার নিজের দল ঘোষণা করতে চলেছেন ফুরফুরার পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। জানা গিয়েছে এদিন বিকেলেই নিজের দলের কথা ঘোষণা করতে চলেছেন তিনি।

আগে আব্বাস সিদ্দিকী জানিয়েছিলেন, তিনি ১০ টি রাজনৈতিক দলের ফ্রন্ট ঘোষণা করবেন, তবে এখন সেদিকে না গিয়ে বরং দল ঘোষণার রাস্তাতেই হাঁটলেন তিনি।

আরও পড়ুন – কোভিড যুদ্ধে ভারতের সফলতার নেপথ্যে অন্যতম আশা কর্মীদের অবদান, বলছে হু’র প্যানেল

সূত্রের খবর, বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক তাপ মাপতেই নিজের দল ঘোষণা করতে চলেছেন সিদ্দিকী। তবে নিজের দল ঘোষণা করলেও ভোটে যে তিনি নিজে লড়বেন না, তা জানিয়েছেন আব্বাস সিদ্দিকী। তিনি নিজে বলেছেন, “আমি কিং মেকার। আমি প্রার্থী তৈরি করি, প্রার্থী হই না।”

উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচন বড় রাজনৈতিক দলগুলির কাছেও অগ্নিপরীক্ষার সামিল হতে চলেছে। কোনও একটি দল একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাবে কিনা, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। ফলে গুরুত্ব বাড়তে পারে ছোট দলগুলির। সেই কথা মাথায় রেখেই কি দল ঘোষণার দিকে এগোচ্ছেন আব্বাস সিদ্দিকী?

উত্তর এসেছে তাঁর কথাতেই। আপাতত রাজ্যের ৫০ থেকে ৬০ টি আসন জয়ের লক্ষ্যে ঝাঁপাতে চলেছে আব্বাস সিদ্দিকীর দল। বুধবার ক্যানিংয়ে এক ধর্মসভায় এসে সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছেন, ‘‘এই আসনই বাংলার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। যদি ৫০-৬০টি আসন চলে আসে, তা হলে আমরাই এ রাজ্যের ভবিষ্যৎ ঠিক করব।” সিদ্দিকী জানিয়েছেন, “যারা আমাদের কথা শুনবে, আমাদের জন্য ভাববে, আমাদের ছেলেমেয়েদের বিনাখরচে পড়ানোর ব্যবস্থা করবে, আমরা তাদের সঙ্গে থাকব।”

আরও পড়ুন – অন্য যে কোনও পেশার চেয়ে কঠোর পরিশ্রম করেন শিক্ষকরা, বলছে সমীক্ষা

উল্লেখ্য, আগামী কয়েকমাসের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। এবার ভোট একটু অন্যরকম। তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি তো থাকছেই। টক্করে থাকছে বাম-কং জোটও। আবার অন্যদিকে আসাদউদ্দিন ওয়াইসি’র মিম ও এবার প্রার্থী দিচ্ছে বাংলায়।

এবারের বিধানসভার যে নির্বাচন হতে চলেছে, সেখানে মুসলিম জনগোষ্ঠীর প্রায় ৩০ শতাংশ ভোট রয়েছে। এত ভোট যে কোনও দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। এতদিন বাংলার এই সংখ্যালঘু ভোট যেত তৃণমূলের দিকে। তবে এবারে সেই ভোটে কোনও ভাগ বসে কিনা তাই দেখতে উৎসুক রয়েছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।