ফাইল ছবি।

হাওড়া : জোটের ব্রিগেডের মঞ্চে ঝাঁঝালো বক্তব্যের পর গত কয়েক দিনে কার্যত রাজ্য রাজনীতির অন্যতম আলোচ্য ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছেন ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। এবার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে হাওড়া জেলায় একাধিক আসনে প্রার্থী দিতে চলেছে ‘ভাইজান’-এর দল ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট( আই.এস.এফ)।

মঙ্গলবার উলুবেড়িয়া-২ ব্লকে একটি অনুষ্ঠানে এসে তেমনই বার্তা দিলেন নবগঠিত রাজনৈতিক দলটির কান্ডারী আব্বাস সিদ্দিকী। এদিন আব্বাস সিদ্দিকী অনুষ্ঠানের শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন,”হাওড়া জেলায় এতো মানুষ। আমি যেখানে যাই সেখানকার মানুষ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ছুটে আসেন। তাদের কথা ভেবে হাওড়া জেলায় আমরা নিশ্চিত প্রার্থী দেব।” তবে ঠিক ক’টা আসনে তাঁর দল প্রার্থী দেবে বা কোন কোন আসন তা তিনি বলেননি। তিনি বলেন,”দু-একদিনের মধ্যেই প্রার্থীর নাম ও বিস্তারিত ঘোষণা চেয়ারম্যান করে দেবেন।” তিনি বলেন,”আজকে আমার দেশ ও বাংলায় মানবতার হত্যা হচ্ছে। মানুষের উপর হত্যা, জুলুম, নারকীয় অত্যাচার চলছে। এই পরিস্থিতিতে মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতেই আমরা লড়ব।”

এদিন বাম-কংগ্রেসের সাথে আইএসএফের ইতিবাচক জোয়ের ইঙ্গিত দেন ফুরফুরার পীরজাদা। উল্লেখ্য, আব্বাস সিদ্দিকীর দল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বাম-কংগ্রেসের সাথে জোটের পথে হাঁটতে চলেছেন। সিট সমঝোতাও প্রায় চূড়ান্ত বলে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, আইএসএফ-কে ৩০টি আসন আগেই ছেড়ে দিয়েছিল বামফ্রন্ট৷ সমস্যা তৈরি হয়েছিল কংগ্রেসের সঙ্গে আসন রফা নিয়ে৷ তা মিটেছে। দক্ষিণবঙ্গে আইএসএফ-কে পাঁচটি আসন ছাড়তে রাজি ছিল কংগ্রেস৷ মঙ্গলবার আরও তিনটি আসন ছাড়তে রাজি হয় তারা৷ ফলে দক্ষিণবঙ্গে সবমিলিয়ে আইএসএফ-কে আটটি আসন ছাড়ল কংগ্রেস৷ আরও দু’টি আসন ছাড়া হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে৷ অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে আইএসএফ-কে মোট ছ’টি আসন ছাড়তে পারে কংগ্রেস৷ তা নিয়েও আলোচনা অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে৷ উত্তরবঙ্গ নিয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছে যেতে পারে দুই দল৷

সূত্রের খবর, বামেদের প্রার্থী তালিকা অনেকটাই চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে৷ কংগ্রেসের সঙ্গে আইএসএফ-এর জোট জট কাটাতে গত কয়েকদিন ধরেই তৎপর ছিলেন সূর্যকান্ত মিশ্র, বিমান বসুরা৷ শেষ পর্যন্ত এ দিন তিন দলের নেতাদের বৈঠকেই সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসে৷ আইএসএফ প্রধান আব্বাস সিদ্দিকিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, দাবি মতো সব আসন না পেলেও জোটের স্বার্থেই তারা সব শর্ত মেনে নিচ্ছেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।