বারাসত ও কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসন থেকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে আব্বাস সিদ্দিকীর পরিবারের কেউ প্রার্থী হচ্ছেন। এমনই জানালেন খোদ আব্বাস। তবে এখনই প্রার্থীর নাম জানাতে চাননি।

বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেই ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী ভোটে লড়াই করার আগ্রহ ফের দেখিয়েছেন। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে জোটের আইএসএফ (ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট) প্রার্থী দাঁড়াচ্ছেন।

সূত্রের খবর, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম আসনের হকদার বামফ্রন্ট শরিক সিপিআই ছিল। তাদের সঙ্গে আলোচনা হয় ফ্রন্টের বাকি শরিকদের। শেষপর্যন্ত নন্দীগ্রাম আব্বাসের আইএসএফ’কে ছেড়ে দিয়েছে সিপিআই। এই বিষয়ে বামফ্রন্টের মতৈক্য হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন – Covid-19: ৫ রাজ্য থেকে শহরে ঢুকতে লাগবে করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট

কে হবেন নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মহাজোটের প্রার্থী? আলোচনার তালিকায় উঠে আসছে পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকীর ভাই নৌশাদ সিদ্দিকীর নাম। তবে সাংবাদিক বৈঠকে আব্বাস সিদ্দিকী বলেন, পরিবারের খুব ঘনিষ্ঠ একজন নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে আগ্রহ দেখিয়েছে। সে এই ব্যাপারে ‘সিরিয়াস’। মনে হয় তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে তার কিছু ক্ষোভ রয়েছে।

ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী আরও জানান, বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের সঙ্গে আসন রফা নিয়ে মতৈক্যের জায়গায় আসা গিয়েছে। দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে মহাজোট।

কলকাতার ভবানীপুর ছেড়ে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা জনসভাতেই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি তে চলে যাওয়ার পরেই নন্দীগ্রাম থেকে তাঁকে ও বিজেপি কে চ্যালেঞ্জ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন – ব্যাপক লাভ, দারুণ অফারে বিকোচ্ছে ট্রিমার

নন্দীগ্রাম ঘিরে মমতা-শুভেন্দু দ্বিমুখী লড়াইয়ের মাঝে এবার আলোচিত প্রার্থী হতে চলেছেন বাম-কংগ্রেস মহাজোটের আব্বাস সিদ্দিকীর ‘পরিবারের কেউ’।

এদিকে দুই ২৪পরগনা জুড়ে সংখ্যালঘু, আদিবাসী, পিছিয়ে পড়া শ্রেণীকে সরাসরি বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন আব্বাস সিদ্দিকী। একের পর এক জনসভা থেকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন। আব্বাসের জনসভাগুলিতে ভিড় রাজনৈতিক আলোচনার অন্যতম চর্চা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।