চেন্নাই: শুক্রবার ২০২১ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর৷ তার আগে তরতাজা আরসিবি-র ভাইস-ক্যাপ্টেন এবি ডি’ভিলিয়ার্স৷ এবার নিয়ে টানা এক দশক আরসিবি জার্সিতে আইপিএল খেলত নামবেন এবিডি৷

৩৭ বছরের প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান প্রথম তিন বছর দিল্লি ডেয়ারডেভিলসে (দিল্লি ক্যাপিটালসের আগের নাম) খেলার পর ২০১১ আইপিএল থেকে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স দলে যোগ দেন৷ তখন থেকে আরসিবি ব্যাটিংয়ের অন্যতম স্তম্ভ এবিডি৷ ক্রিকেট সার্কিটে মিস্টার ৩৬০ ডিগ্রি নামে পরিচিত৷ ১ এপ্রিল ভারতে পা-রেখে চেন্নাইয়ে টিম হোটেলে যোগ দেন ডি’ভিলিয়ার্স৷ কিন্তু দলের বায়ো-বাবলে ঢোকার আগে সাতদিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়েছে এবি’কে৷

বৃহস্পতিবারই প্রথম দলের সঙ্গে প্র্যাকটিসে নামেন আরসিবি ভাইস-ক্যাপ্টেন৷ এবিডি-র সঙ্গে একই দিনে টিমের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলিও৷ ফলে এদিনই দু’জনে দলের সঙ্গে প্রথমবার প্র্যাকটিসে নামেন৷ নেট ও জিমে প্রচুর সময় কাটানোর পর নিজেকে আরও তরতাজা ভাবচ্ছেন বিরাটের দলে প্রাক্তন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান৷

আরসিবি-র বোল্ড ডায়েরিজে এবিডি বলেন, ‘বেশ কিছু ট্রেনিং সেশন করেছি৷ প্রচুর ফিটনেস ট্রেনিং হয়েছে৷ জিমে অনেক কাটিয়েছি৷ আমি প্রস্তুত৷ নিজেকে আরেও বেশি তরুণ মনে হচ্ছে৷’ তিনি আরও বলেন, ‘ভারতে আসার আগে প্রচুর সময় বাড়িতে কাটিয়েছি৷ সুতরাং বাইরে আসার জন্য মুখিয়ে ছিলাম৷ নেটে বল হিট করতে পেরে ভালো লাগচ্ছে৷’

২০১৮ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেননি এবিডি৷ ফলে গত বছর নভেম্বরে ২০২০ আইপিএলের পর কোনও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলেননি ডি’ভিলিয়ার্স৷ কিন্তু নিজেকে ফিট রাখতে ইন্ডোর ও আউটডোরে অতিরিক্ত সময় ট্রেনিং করেছেন৷ আরও একটি মরুশুমে আইপিএলে মাঠে নামার আগে এবিডি বলেন, ‘এখানে খেলাটা আমি দারুণ উপভোগ করি৷ আইপিএলে আরও একটি মরশুম আরসিবি-র হয়ে খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছি৷’

টানা ১০ বছর আরসিবি-র হয়ে খেললেও এখনও পর্যন্ত ট্রফির স্বাদ পাননি এবিডি৷ ২০১২ আইপিএল থেকে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন কোহলি৷ কিন্তু একবারও দলকে খেতাব দিতে পারেননি বিরাট৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।