কলকাতা২৪x৭: আইপিএলের মঞ্চকে যদি ক্যানভাস ধরে নেওয়া যায়, আব্রাহাম বেঞ্জামিন ডি’ভিলিয়ার্স নিঃসন্দেহে পিকাসো কিংবা ভিঞ্চি। আন্তর্জাতিক সার্কিট থেকে বিদায় নিয়েছেন কয়েকবছর হয়ে গেল। হৃদয় দিয়ে খেলেন কেবল আইপিএলটাই। স্বাভাবিকভাবেই সারাবছর বিশ্রামের পর সীমিত সময়ের প্রস্তুতিতে আইপিএলে ডি’ভিলিয়ার্স নিজেকে কতোটা মেলে ধরতে পারবেন, তা নিয়ে চিন্তায় থাকেন অনুরাগীরা। আর প্রত্যেকবারই যেন ম্যাজিক করে যান প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান।

ডি’ভিলিয়ার্স যেন গুমোট গরমে কালবৈশাখীর মতো। বাইশ গজে উইলো হাতে অনুরাগীরা এখন তার খুনে প্রবৃত্তি দেখে আর আফশোস করে, ছেলেটা বড় অসময়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটটা ছেড়ে দিল। আরসিবি এখনও ট্রফি না জিততে পারায় কোহলির জন্য এদেশের ক্রিকেট অনুরাগীরা যতোটা সমব্যথী হন, ধারণা কোহলির স্নেহের বন্ধু এবিডি’র জন্যও তারা ততোটাই সমব্যথী। প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান আইপিএলে আসেন, দেখেন, অনুরাগীদের হৃদয় জেতেন কিন্তু ট্রফি জয় অধরাই রয়ে যায়।

পাঁচ মাসের বিরতির পর শুক্রবার আইপিএলে প্রত্যাবর্তনেও ডি’ভিলিয়ার্স বুঝিয়ে দিলেন কেন তিনি বিরাটের দলের ‘ট্রাম্প কার্ড’। বিরাটের ঝুলিতে ট্রফি না থাকলেও অনেক অধিনায়কের কাছে বিরাট ঈর্ষার কারণ, যেহেতু তাঁর দলে একজন ডি’ভিলিয়ার্স আছে। ১৬০ রান তাড়া করতে গিয়ে এদিন ভালোই এগোচ্ছিল আরসিবি। কিন্তু ১৩-১৫ ওভারের মধ্যে ক্রিজে সেট হয়ে যাওয়া বিরাট-ম্যাক্সওয়েল এবং নবাগত শাহবাজ আহমেদের উইকেটের হারিয়ে হঠাতই চাপ ডেকে আনে আরসিবি। ১৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১০৬ হয়ে যায় তারা।

দায়িত্ব বর্তায় সেই এবিডি’র কাঁধেই। প্রথমে ড্যান ক্রিশ্চিয়ান এবং তারপর কাইল জেমিসনকে নিয়ে ঝড় তোলেন ‘মিস্টার ৩৬০’। ৪টি চার ২টি ছয়ে ২৭ বলে ৪৮ করে যখন রান-আউট হয়ে ফিরছেন এবিডি, ব্যাঙ্গালোরের তখন প্রয়োজন ২ বলে ২ রান। শেষ অবধি লাস্ট বল থ্রিলার জিতে জয় দিয়েই মরশুম শুরু করল বিরাটের আরসিবি। আর বিগত পাঁচ মাস বাইশ গজ থেকে দূরে থাকা ডি’ভিলিয়ার্স প্রথম ম্যাচে ঝড় তুলেই বুঝিয়ে দিলেন চ্যাম্পিয়নরা কেবল মঞ্চ খোঁজে।

ম্যাচ শেষে আবার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের প্রশংসা করে ডি’ভিলিয়ার্স জানিয়েছেন, ‘ম্যাক্সওয়েলের মতো ক্রিকেটারের সঙ্গে একই দলে খেলাটা ভীষণ আনন্দের। আমি ওঁর মতো প্লেয়ারের সঙ্গে খেলতে চাই। আমার আগে ব্যাটিং-অর্ডারে ওঁর মতো একজনের থাকা দলের জন্য ভীষণ ভালো। আমার পরে আবার ড্যান ক্রিশ্চিয়ান রয়েছে। সবমিলিয়ে আমাদের এবার ছোট্ট সেট-আপ বেশ ভালো হয়েছে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.