ক্যানবেরা: ওয়ান ডে সিরিজ ১-২ হারলেও মানুকা ওভালে প্রথম টি-২০ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ১১ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ এগিয়ে গিয়েছে ভারত। কিন্তু এই জয়ের মধ্যেও মাথাচাড়া দিয়েছে কনকাসন বিতর্ক৷

ভারতের দেওয়া ১৬২ রানে লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানের বেশি তুলতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। শুক্রবার ক্যানবেরায় ম্যাচের সেরা যুবেন্দ্র চহাল। কিন্তু ম্যাচের নায়ক প্রথম একাদশেই ছিলেন না। চাহালের ভেল্কিতেই ভারতের দেওয়া টার্গেটে পৌঁছে পারেননি অজি ব্যাটসম্যানরা৷ প্রথম দু’টি ওয়ান ডে ম্যাচে ১৯ ওভারে ১৬০ রানের বেশি রান খরচ করা ভারতীয় এই লেগ-স্পিনার প্রথম টি-২০ ম্যাচে ৪ ওভারে মাত্র ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেয় টিম ইন্ডিয়াকে জয় এনে দেন৷

ভারতের এই জয়ের জোড়া নায়ক রবীন্দ্র জাদেজা ও যুবেন্দ্র চাহাল৷ ব্যাট হাতে জাদেজার ঝড় এবং বল হাতে চাহালের ভেল্কি৷ ২৩ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন জাড্ডু। কিন্তু ব্যাট করার মধ্যে জাদেজার পায়ে চোট লাগে। খোঁড়াতে দেখা যায় রান নেওয়ার সময়ও। হ্যামস্ট্রিংয়ে টান ধরে তাঁর৷
কিন্তু এই নিয়মে কনকাশন সাব হয় না।

ভারতের ইনিংসে মিচেল স্টার্কের শেষ ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারি জাদেজার ব্যাটে লেগে হেলমেটে লাগে। সেখান ক্যাচ উঠলেও তা ধরতে পারেননি মোজেস হেনরিকে। কিন্তু এই চোটের কারণে জাদেজার কনকাশনের জন্য আবেদন করেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ভারতীয় দল মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গেই ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুনের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় অস্ট্রেলিয়ার কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার। চাহালের কনকাশন সাব হিসেবে আপত্তি জানাতে থাকেন তিনি৷ কিন্তু তাতে কাজ হয়নি৷ জাদেজার কনকাশন হিসেবে মাঠে নামার অনুমতি পান চাহাল৷

বল হাতে ম্যাজিক দেখান ভারতীয় এই লেগ-স্পিনার৷ ওয়ান ডে সিরিজে সফল দুই অজি ব্যাটসম্যান অ্যারন ফিঞ্চ, স্টিভ স্মিথের মতো ব্যাটসম্যানও চাহালের লেগ-স্পিনে দিশেহারা হন৷ দলকে সিরিজের প্রথম টি-২০ জেতাতে বড় ভূমিকা নেন চাহাল৷

অজি কোচ চাহালের কনকাশন নিয়ে আপত্তি জানালেও ম্যাচের পর অজি ক্যাপ্টেন অ্যারন ফিঞ্চ অবশ্য মেডিক্যাল রিপোর্ট নিয়ে চ্যালেঞ্জ করার পক্ষপাতি নন৷ তিনি বলেন, ‘চিকিৎসক জাদেজার না-খেলতে পারার বিষয়টি জানায়৷ আমরা মেডিক্যাল রিপোর্ট নিয়ে চ্যালেঞ্জ করতে পারনি না৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।