নয়াদিল্লি: মুসলিম বলেই হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে বহিষ্কৃত আপ নেতা তাহির হোসেনকে, আপ বিধায়ক আমানতউল্লা খানের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে ছড়াল বিতর্ক। শনিবার টুইটে দিল্লির ওখলা কেন্দ্রের আম আদমি পার্টির বিধায়কের এই মন্তব্য ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। দলের অন্দরেও আমানতউল্লার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন একাধিক আপ নেতা। তবে প্রকাশ্যে এখনও পর্যন্ত আপ-এৎ তরফে এবিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

‘দিল্লিতে হিংসা থামানোর কাজ করছিলেন তাহির হোসেন, অথচ তার বিরুদ্ধেই হিংসায় যুক্ত থাকার অভিযোগ তোলা হচ্ছে। আসলে মুসলিম বলেই হেনস্থার শিকার হকে হচ্ছে তাহির হোসেনকে।’ শনিবার নিজের ফেসবুক ও টুইটার অ্যাকাউন্টে এমনই মন্তব্য করেছেন ওখলার আপ বিধায়ক আমানতউল্লা খান।

দলের বহিষ্কৃত নেতার পাশে দাঁড়ালেন দলেরই বিধায়ক। দিল্লিতে সংঘর্ষের ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত থাকার অভিযোগ ওঠে তাহির হোসেনের বিরুদ্ধে। তাহিরের বাড়ির ছাদ থেকে প্রচুর বোমা ও ইট উদ্ধার করে পুলিশ। এমনকী একটি ভিডিওতে সংঘর্ষে মদত দিতে দেখা যায় তাহিরকে। যদিও সেই দাবি পরে অস্বীকার করে তাহির। আইবি অফিসার অঙ্কিত শর্মাকে খুনে মূল অভিযুক্ত বহিষ্কৃত আপ নেতা তাহির হোসেন।

ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর পর গুলি করে খুন করা হয় আইবি অফিসার অঙ্কিত শর্মাকে। খুনের পর তাঁর দেহ নালায় ফেলে দেওয়া হয়। তাহির হোসেনের বাড়ির সামনের ওই নালা থেকে পরে উদ্ধার হয় অঙ্কিতের ক্ষতবিক্ষত দেহ।

অঙ্কিতের বাবা পরে থানায় তাহিরের বিরুদ্ধে তাঁর ছেলেকে খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ দায়েরের বেশ কিছুদিন পর পর্যন্ত ফেরার ছিল তাহির। তাকে খুঁজতে তার বাড়িতে গেলেও তাহিরের দেখা মেলেনি। পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে তাহির। এদিকে, তাহিরের নাম দিল্লির সংঘর্ষে জড়াতেই তাকে দল থেকে সাসপেন্ড করেছে আপ। আম আদমি পার্টির তরফে জানানো হয়েছে তদন্তে ক্লিনচিট না পাওয়া পর্যন্ত তাহিরকে দলে নেওয়া যাবে না।

অন্যদিকে, দলেরই নেতা তাহিরের পাশে দাঁড়িয়েছেন আপ বিধায়ক আমানতউল্লা খান। তাহির সংঘর্ষ থামাতে তৎপর হয় বলে দাবি ওই আপ বিধায়কের। তাহির মুসলিম বলেই তাকে ফাঁসানো হচ্ছে বলেও সোশাল মিডিায় সরব হয়েছেন ওই আপ নেতা। যদিও আপ-এর তরফে দলের বিধায়কের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে বিজেপির তরফে আপ বিধায়কের এই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।