ওয়াশিংটন: আধার কার্ড প্রকল্পের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই এক বিলিয়ন জনগণের নাম নথিভুক্ত হওয়ায় দেশের রাজকোষের ৯বিলিয়ন ডলার বেচেছে৷ নানা ভাবে সুবিধাভোগীদের প্রতারণা আটকে এমনটা হয়েছে বলে দাবি করেছেন এই প্রকল্পের স্থপতি নন্দন নিলেকানি৷

এই ব্যবস্থা চালু হয়েছিল ইউপিএ আমলে এবং বর্তমানে মোদী সরকারও তা উৎসাহের সঙ্গে তা সহায়তা করেছে বলেই জানান ইনফোসিসের বর্তমান নন এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান৷ বিশ্ব ব্যাংক আয়োজিত উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল অর্থনীতি শীর্ষক আলোচনায় বক্তব্য রাখছিলেন তিনি৷
ঠিকমতো ডিজিটাল পরিকাঠামো গড়ে উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে লাফ দেওয়া সহজ হবে বলে জানান তিনি৷

পরিচয় নিশ্চিত করা, বাধাহীন পেমেন্ট ব্যবস্থা, কাগজবিহীন লেনদেন, মতো অর্থনতিক তথ্যগুলি ভীষণই গুরুত্বপূর্ণ নতুন দুনিয়ার ডিজিটাল অর্থনীতিতে৷ আর সেটাই ভারত করে দেখিয়েছে৷ গোটা বিশ্বে ভারতই একমাত্র দেশ যেখানে এক বিলিয়ন জনগন এই পরিকাঠোমাকে ব্যবহার করে কাগজবিহীন লেনদেনে সক্ষম, মোবাইল মারফত নগদহীন লেনদেন করে থাকে, যারফলে খরচ কমে গিয়েছে অনেকটাই৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I