নয়াদিল্লি:আধার কার্ডের গুরুত্ব কারও অজানা নয়। যত দিন যাচ্ছে ততই বাড়ছে এর প্রয়োজন। আধার হল ১২ সংখ্যার একটি নম্বর। আধার কর্তৃপক্ষ বা UIDAI এই নম্বর ইস্যু করে।ব্যাঙ্ক, টেলিকম সংস্থা, গণবন্টন (রেশন) ব্যবস্থা, আয়কর-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে আধারের ব্যবহার বহুল প্রচলিত। প্রতিটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার নম্বর লিংক সুনিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি ব্যাঙ্ককে নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ফলে আধার কার্ড শুধু থাকলেই হবে না সেটি আপ টু ডেট থাকাও খুব জরুরি। বিশেষত পরিচয় ও ঠিকানার প্রমাণপত্র হিসেবে যেহেতু এটি ব্যবহার ও গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে।

কিন্তু আধার কার্ডে নানা সময়ে নানা ভুল সামনে আসে। যা ঠিক করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় সাধারণকে। এবার আধার কার্ড সম্পর্কিত কোনও ধরণের সমস্যা থাকলে কেবল একটি নম্বরে ফোন করেই সমাধান করা যায়। ১৯৪৭ নম্বরে কল করে যে কেউই আধার সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। শুধু তাই নয়, জানানো হয় এই নম্বর ১২টি আঞ্চলিক ভাষায় উপলব্ধ থাকবে। সেগুলি হল হিন্দি, ইংরেজি, তেলেগু, কান্নাদা, তামিল, মালায়ালাম, পাঞ্জাবি, গুজরাটি, মারাঠি, ওড়িয়া, বাংলা, অসমিয়া ও উর্দু । এই নম্বর মনে রাখা অনেক সহজ।ভারত স্বাধীন হয়েছিল ১৯৪৭ সালেই।সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এমন নম্বর বলে অনেকেই মনে করছেন।

১৯৪৭ একটি টোল ফ্রি নম্বর। আইভিআরএস মোডে ২৪ ঘন্টা উপলব্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। কল সেন্টারের প্রতিনিধিদের সোমবার থেকে শনিবার সকাল ৭ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত পাওয়া যাবে। একই সাথে, রবিবার সকাল আটটা থেকে সন্ধ্যা ৫ টা পর্যন্ত প্রতিনিধিদের পাওয়া যাবে। যদি কারও আধার কার্ডটি হারিয়ে যায় বা আবেদনের পরও না পাওয়া যায়, তবে এই সুবিধার সাহায্যে তথ্য জানা যেতে পারে। উল্লেখ্য, আধারের প্রয়োজনীয়তা যত বাড়ছে, ততই আধার সম্পর্কিত সব প্রক্রিয়াও সহজ করে তুলছে আধার কর্তৃপক্ষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.