স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মহাকরণের সামনে দাঁড়িয়ে টিকটক ভিডিও করতে গিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির তাড়া খেয়ে জখম হলেন এক যুবক। তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করেছে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ। টিকটক ভিডিও করা বাকি যুবকদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে থানায়।

টিকটক ভিডিও করতে গিয়ে বহুবার দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে৷ অনেকের প্রাণও গিয়েছে৷ এবার টিকটক ভিডিও করতে গিয়ে হাসপাতালে ভরতি হতে হল এক যুবককে৷ পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বিকেলে রাইটার্স বিল্ডিং বা মহাকরণের সামনে দাঁড়িয়ে টিকটক ভিডিও শ্যুট করছিলেন কয়েকজন যুবক। এমন সময় হঠাৎই এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি ওই যুবকদের তাড়া করেন। ভয় পেয়ে ছুট লাগান ওই যুবকরা। তখনই রাস্তায় হোঁচট খেয়ে পড়ে যান এক যুবক। শরীরের বেশ কিছু জায়গায় আঘাত লাগে তাঁর।

মুহূর্তের মধ্যে ভিড় জমে যায় সেখানে। ভিড় দেখে সেখানে এগিয়ে আসেন হেয়ার স্ট্রিট থানার কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। তাঁরাই ওই যুবককে সেখান থেকে এক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

মহাকরণের সামনে দাঁড়িয়ে টিকটক ভিডিও শ্যুট করার জন্য বাকি যুবকদের নিয়ে যাওয়া হয় হেয়ার স্ট্রিট থানায়। কারণ মহাকরণের সামনে ছবি তোলা নিষেধ। তারপরেও সেখানে কেন ভিডিও করছিলেন তাঁরা, তা জানতে চায় পুলিশ। যুবকরা জানান, তাঁরা এই নিয়ম জানতেন না। তাঁদের ফোনে শ্যুট করা ভিডিও দেখে তারপর তা ডিলিট করিয়েই যুবকদের ছাড়া হয়।

কিছুদিন আগেই পুরুলিয়ার কার্টিং রেলগেটের কাছে টিকটক ভিডিয়োর শ্যুট করছিল চার বন্ধু। ভিডিও শ্যুট করতে করতে খেয়ালই করেনি কখন পিছন থেকে এসে পড়েছে ট্রেন। শ্যুটিং চলাকালীনই ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হয় এক যুবকের৷ আর একজন গুরুতর জখম হয়৷ তরুণ সমাজের কাছে এই টিকটকের আসক্তি যে মারণরোগে পরিণত হয়েছে তা বারবার প্রমাণিত হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।