জম্মু: লাদাখে চিনের সঙ্গে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে সংঘর্ষের মাঝেই পাকিস্তানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমানায় নজরদারি বাড়াল সীমান্ত রক্ষা বাহিনী। পাকিস্তানকে রুখতে বদ্ধপরিকর বর্ডার সিকিউরিটি ফোরস।

জুনের ২০ তারিখ জম্মুর কাঠুয়া জেলায় আন্তর্জাতিক সীমানার কাছে অস্ত্রভর্তি পাক ড্রোনকে আটকে দিয়েছে বিএসএফ। সেখানে আমেরিকান রাইফেল, সাতটি গ্রেনেড এবং দুটি ম্যাগাজিন রাইফেল পাওয়া গিয়েছে। সেইসব অস্ত্র জঙ্গিদের কাজে ব্যবহার করার জন্য পাকিস্তান হেক্সাকপ্টার করে নিয়ে যাচ্ছিল বলেই জানা গিয়েছে বিএসএফ সূত্রে।

সেদিনের ঘটনার পর থেকেই পাকিস্তানের জঙ্গিমূলক কার্যকলাপ আটকাতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সীমান্ত রক্ষা বাহিনী। সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বাড়ানো হয়েছে পেট্রলিং। অনুপ্রবেশ আটকাতে তৎপর বিএসএফের তরফে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইতিমধ্যেই বিএসএফের জম্মু ফ্রন্টিয়ারের আইজি এনএস জামওয়াল এবং ডিজিপি দিলবাগ সিং সোমবার সাম্বা জেলার সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চল ঘুরে দেখেছেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ এবং বিএসএফের আরও উচ্চপদস্থ কর্তারা।

মঙ্গলবার, জম্মু ও কাশ্মীরের ডিজিপি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, উপত্যকা অঞ্চলের শান্তি বিঘ্নিত করতে জঙ্গিদের সেখানে ঢুকিয়ে দিয়ে চাইছে পাকিস্তান। সীমান্তের ওপারে লঞ্চপ্যাড সক্রিয় করে রাখা হয়েছে। তবে আমদের সুরক্ষা বাহিনী বহু অনুপ্রবেশের ঘটনা আটকে দিয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এদিন এও স্পষ্ট জানানো হয়েছে, দেশের সুরক্ষাবাহিনী তরফে এই প্রচেষ্টা সর্বক্ষণ জারি রয়েছে এবং থাকবে। জঙ্গিবিরোধী কার্যকলাপ সফলভাবে চলছে কাশ্মীরে। শেষ একমাসে ৪৮ জন জঙ্গিকে এলিমিনেট করা হয়েছে এবং ১২০ জনকে নিকেশ করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

ইন্ডিয়া টুডে’র তরফে জানানো হয়েছে, আরএস পুরা সেক্টরে আন্তর্জাতিক সীমানা চত্বর ঘুরে দেখা হয়েছে। পাকিস্তানের জঘন্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ছক বানচাল করতে সচেষ্ট সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর তরফে আন্তর্জাতিক সীমানায় কড়া নজরদারি বজায় রাখা হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ