এস্টাফ রিপোর্টার, হুগলি: একটি নামজাদা সরকারি ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল বাণী ভারতী বিদ্যালয়৷ অবস্থিত হুগলির রিষড়ার স্টেশন সংলগ্ন অঞ্চলে৷ কিন্তু শনিবার সেই স্কুলেই ঘটল ছন্দপতন৷ অভিভাবকদের বিভিন্ন অভিযোগের উত্তর শনিবার দেওয়ার কথা ছিল স্কুল কর্তৃপক্ষের৷ কিন্তু সেই বৈঠকে ইচ্ছাকৃত ভাবেই হাজির ছিলেন না স্কুলের প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল৷ শনিবার সকালে এই অভিযোগ তুলেই সরব হয়েছিলেন অভিভাবকরা৷

স্কুলের ছাত্রছাত্রীর অভিভাবক সূত্রে খবর, বিগত কয়েকদিন ধরেই অসন্তোষ দানা বেঁধেছিল অভিভাবকদের মধ্যে৷ কিন্তু কারণ কি? অভিভাবকদের এই কথা জিজ্ঞাসা করতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা৷ তাদের দাবি, এই স্কুলেরই এক শিক্ষককে বদলি ও তাঁর পাঁচ বছরের মেয়েকে স্কুলে ঢুকতে বাধা দেওয়ায় প্রতিবাদ করেন তাঁরা৷

আরও পড়ুন: কিয়ারার হস্তমৈথুন দৃশ্যে ব্যাকগ্রাউন্ডে কেন লতা মঙ্গেশকর?

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে চলে এই বিক্ষোভ পর্ব৷ এমনকি ঘেরাও করা হয় স্কুল চত্বরও৷ পাশাপাশি নির্দিষ্ট কোন বোর্ডের নিয়মে এই স্কুল চলে তা স্কুল কর্তৃপক্ষকে স্পষ্ট করার দাবি জানায় অভিভাবকরা৷ কারণ এই স্কুলে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত সিবিএসসি-র নিয়ম অনুযায়ী পড়াশোনা করানো হয়৷ আবার নবম ও দশম শ্রেণী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বোর্ডের নিয়মে চলে৷ ফলে ছাত্রছাত্রীদের সিলেবাসে একটা বড়সড় রদবদল হয় অষ্টম থেকে উত্তীর্ণ হয়ে নবম শ্রেণীতে গেলে৷ এতে তাদের মনের উপরেও বিশাল চাপের সৃষ্টি হয় বলে দাবি করেছেন অভিভাবকদের দল৷

আরও পড়ুন: পিছল ওভারব্রিজ তৈরির কাজ! চরম দুর্ভোগে ট্রেন যাত্রীরা

শুধু তাই নয়, পাশাপাশি বিদ্যালয়ের জল, পাখা, টয়লেট নিয়েও অভিযোগ তুলেছিলেন স্কুলের অভিভাবকরা৷ প্রসঙ্গত, সেই সব বিষয় নিয়েই আজ তথা শনিবার অভিভাবকদের সঙ্গে একটি বৈঠক করার কথা ছিল স্কুল কর্তৃপক্ষের। তবে অভিভাবকরা হাজির হলেও স্কুলের প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল কেউ আসেন নি বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা। এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়েই অন্য শিক্ষকদের আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্কুল চত্বরে উপস্থিত অভিভাবকরা। যদিও পরবর্তী সময় ঘটনাস্থলে শ্রীরামপুর থানার পুলিশ এসে গোটা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।