নয়াদিল্লি:কথিত আছে প্রত্যেক পুরুষের সাফল্যের পিছনে কোনও নারীর অবদান থাকবেই। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার সফল রাজনৈতিক জীবনের পিছনে অবশ্যই তাঁর স্ত্রীর একটা ভূমিকা রয়েছে ৷ তাঁর স্ত্রী প্রিয়দর্শিনী রাজে সিন্ধিয়া হলেন একজন রাজকন্যা ৷ এই প্রিয়দর্শিনী হলেন গুজরাতের বডোদরা (তৎকালীন বরোদা)-র রাজ পরিবার গায়কোয়াড় পরিবারের কন্যা ৷

১৯৭৫ সালে জন্ম প্রিয়দর্শিনীর। তাঁর বাবা হলেন কুমার সংগ্রামসিংহ গায়কোয়াড় যিনি ছিলেন বডোদরার শেষ রাজা, প্রতাপ সিংহ রাও গায়কোয়াড়ের অষ্টম সন্তান । প্রিয়দর্শিনীর মা আশারাজে গায়কোয়াড়ও আবার হলেন নেপালের রানা বংশের কন্যা৷ প্রিয়দর্শিনী মুম্বইয়ের ফোর্ট কনভেন্ট স্কুলে এবং সোফিয়া কলেজে পড়াশুণা করেন। ১৯৯১ সালে জ্যোতিরাদিত্যের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় ৷ প্রথম দেখাতেই নাকি জ্যোতিরাদিত্যের প্রিয়দর্শিনীকে ভাল লেগে যায়। এরপর ১৯৯৪ সালে তাঁদের বিয়ে হয়।

২০০১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর উত্তরপ্রদেশে এক বিমান দুর্ঘটনায় জ্যোতিরাদিত্যের বাবা মাধবরাও সিন্ধিয়ার মৃত্যু হয়। তখনই মাধবরাও সিন্ধিয়ার পুত্রের রাজনীতিতে প্রবেশ৷ ২০০২ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত গুণা লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন জ্যোতিরাদিত্য৷ তবে ২০১৯ সালে ওই কেন্দ্র থেকে তিনি পরাজিত হন ৷

কিন্তু দীর্ঘ সময় বার বার ওই লোকসভা কেন্দ্র থেকে জেতার পিছনে স্ত্রী প্রিয়দর্শিনীর বিশেষ অবদান রয়েছে বলেই জানা যায়৷ সেই সময় সংগঠন ও দলীয় কর্মীদের মনোবল ঠিক রাখতে দলীয় কর্মীদের সঙ্গেও বৈঠক করতে দেখা যেত প্রিয়দর্শিনীকে।

এদিকে আবার এই প্রিয়দর্শিনী ২০১২ সালে ফেমিনা-র প্রথম ৫০ ভারতীয় সুন্দরীদের মধ্যে জায়গা পেয়েছিলেন।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব