মুম্বইঃ ১৩ই মে মুক্তি পাচ্ছে সালমান খান অভিনীত ‘রাধে – ইওর মোস্ট ওয়ান্টেড ভাই’। সিনেমা হল এবং জি ফাইভ (ZEE5) এর পে পার ভিউ (Pay Per View) সার্ভিস ‘জি পেক্স’ (ZEE Plex) এ মুক্তি পাবে রাধে। সারা দেশের করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ছবির প্রযোজক সংস্থা জি এন্টারটেনমেন্ট এন্টারপ্রাইজ (ZEE Entertainment Enterprises) এবং সালমান খান ফিল্মস (Salman Khan Films) জানিয়েছেন, ছবি থেকে প্রাপ্ত আয়ের একটি অংশ করোনার ত্রাণে কাজে লাগাবেন।

ছবির নির্মাতারা বলেছেন, ‘Give India’ মঞ্চের অংশীদার হিসাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সরঞ্জাম দান করবেন তারা। এছাড়া জি (ZEE) এবং এস কে এফ (SKF) এই বিশাল বিনোদন ইন্ডাস্টির শ্রমিকদের সাহায্য করবেন যারা এই করোনা মহামারীতে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

ZEE Entertainment Enterprises এর তরক থেকে একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘আমাদের গোটা দেশ একটা বিপর্যস্ত পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তাই একজন দায়বদ্ধ কর্পোরেট সংস্থা হিসাবে এই কঠিন লড়াইয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার জন্যে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দর্শকদের কেবল বিনোদন দেওয়াটাই আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য নয়, ব্যবসায়িক লাভের বাইরে বেড়িয়ে এই মুহুর্তে দেশবাসীর পাশে দাঁড়াতে চাই আমরা। এই কঠিন সময়ে দেশজুড়ে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে অর্থনৈতিক দিক থেকে সাহায্য প্রদানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা আশা রাখছি ‘রাধে’ মুক্তি পাওয়ার পর সেখান থেকে যে পরিনাম অর্থ আমরা করোনা ত্রানে দান করব, তা বহু মানুষের সহায়তা করতে পাড়বে’।

Salman Khan Films এর তরফ থেকে এই বিষয়ে জানানো হয়েছে, ‘করোনার বিরুদ্ধে লড়ছে গোটা দেশ। এই লড়াইয়ে আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে নেওয়া এই মহৎ উদ্যোগ দিতে পেরে আমারা ভীষণই খুশি। গত বছর করোনার সময় থেকেই এই লড়াইয়ে আমার মানুষের পাশে ছিলাম। এখনও আছি। করোনায় গোটা দেশ তথা বিশ্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম একটা সম্পূর্ন তৈরি হয়ে যাওয়া ছবি এভবে আটকে রাখা ঠিক হবে না। সিনেমা হল এবং সঙ্গে ZEE Plex এর মতন একটি প্ল্যাটফর্মে এই ছবি মুক্তি পাওয়ার ফলে ছবি থেকে প্রাপ্ত আয়ের একটি অংশ আমরা মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দান করাটাই উপযুক্ত হবে বলে মনে করেছি’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.