কলকাতা: মহাকরণের ছয় নম্বর গেটে গুলিতে এক পুলিশ কর্মীর মৃত্যুর পর একাধিক প্রশ্ন উঠে। অসাবধনতাবশত গুলি চলেছে, নাকি নিজের সার্ভিস রিভালভার থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই পুলিশ কর্মী? শুরু হয় তদন্ত৷
পরে ডিসি সেন্ট্রাল সুধীর নীলাকান্তম জানান, অবসাদে ভুগছিলেন বিশ্বজিৎ। সেই সংক্রান্ত চিকিৎসাও চলছিল। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷
পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর সার্ভিস রাইফেলের সেফটি ক্যাপ খোলা ছিল। ফলে ট্রিগারে চাপ পড়তেই গুলি বেরিয়ে যায়। এইসব দেখে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, আত্মঘাতী হয়েছেন ওই কনস্টেবল৷
শুক্রবার মহাকারণে মধ্যেই চলে গুলি। মহাকরণের ছয় নম্বর গেটে চলে গুলি। গুলিতে মৃত এক পুলিশ কর্মী। মৃত ওই পুলিশ আধিকারিকের নাম বিশ্বজিৎ কারক বলে জানা গিয়েছে। তিনি কলকাতা পুলিশের পাঁচ নম্বর ব্যাটেলিয়নে ছিলেন৷
অসাবধনতাবশত এই গুলি চলেছে নাকি নিজের সার্ভিস রিভালভার থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই পুলিশ কর্মী, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। গুলির শব্দের খবর শোনা মাত্র তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয় মহাকারণে৷
ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী। ঘিরে দেওয়া হয় এলাকা। সিল করে দেওয়া হয় মহাকারণের ছয় নম্বর গেট। ঘটনাস্থলে যান পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে শুরু হয় তদন্ত।
জানা যাচ্ছে, শুক্রবার দুপুরে হঠাত করেই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে রাইটার্স বিল্ডিং। আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায় সাধারণ মানুষের মধ্যেই। ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন সেই সময় রাইটার্সে সেই সময়ে কর্মরত অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা। ছয় নম্বর গেটের সামনে এসে পুলিশ কর্মীরা দেখেন রক্তাত্ব অবস্থায় পড়ে রয়েছে বিশ্বজিত। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।
অন্যদিকে, ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন পুলিশ আধিকারিকরা। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে খোঁজখবর করা শুরু হয়েছে।

সেই সময় ঘটনাস্থলে অন্যান্য কেউ ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যান্য কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকদের কাছ থেকেও ঘটনার বিবরণ জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ