লখনউ: কোভিড ১৯ পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে প্রিন্স চার্লসের শরীরে। এই খবর শিরোনামে আসতেই বলিউডের গায়িকা কণিকা কাপুরকে নিয়ে ফের ট্রোলিং শুরু হয়েছে। ইন্টারনেটে কণিকা কাপুর ও প্রিন্স চার্লসের একটি ছবি এই মুহূর্তে ভাইরাল। তবে এই ছবি কি সত্যি? ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি পার্টিতে রয়েছেন প্রিন্স চার্লস ও কণিকা কাপুর।

আর এই ছবি দেখেই নেটিজেনরা দাবি করছেন, তা হলে কি গায়িকা কণিকা কাপুর থেকেই সংক্রমিত হয়েছেন প্রিন্স চার্লস। কিন্তু ডেকান হেরাল্ডের একটি প্রতিবেদন স্পষ্ট করেছে যে এই ছবি মোটেই সাম্প্রতিক নয়। বরং এই ছবিটি ২০১৫ সালের একটি রয়্যাল ইভেন্টে। প্রিন্স চার্লস ও ক্যামিলা এই পার্টির উদ্যোক্তা ছিলেন। এই মুহূর্তে সঞ্জয় গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন কণিকা কাপুর। বেবি ডল খ্যাত গায়িকার রিপোর্ট মঙ্গলবার তৃতীয় বারের জন্যও পজিটিভ এসেছে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তাই এখনই কণিকাকে ছাড়া হচ্ছে না।

যতক্ষণ না তাঁর দুটি রিপোর্টের ফলাফল পর পর নেগেটিভ হয় ততক্ষণ তাঁকে হাসপাতালের আইসোলেশনেই থাকতে হবে। লন্ডন থেকে ফেরার পরে আইসোলেশনে না গিয়ে তিনি বিভিন্ন পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন। কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ অমান্য করেই নাকি তিনি অবাধ বিচরণ করেছেন। এর পরে কিছুদিনের মধ্যেই ফ্লু এর উপসর্গ দেখা দিলে তিনি চিকিৎসা করান এবং তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

এই কদিনে কণিকা যাঁদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন তাঁদের পরীক্ষা করে দেখা হয়। যে ১১ জন আক্রান্ত বলে মনে করা হচ্ছিল তাঁদের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এঁরা প্রত্যেকেই ১৩ মার্চ লখনউতে কণিকার মামার আয়োজিত পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন। কণিকার সঙ্গে হোটেলে ছিলেন তাঁর বন্ধু ওজাস দেসাই। তাঁরও পরীক্ষা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই বন্ধুর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

ওজাস এক সংবাদমাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন, তিনি মুম্বইয়ের কস্তুরবা হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছিলেন। সেখানে তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। সেই রিপোর্ট তিনি সোশ্য়াল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন। কণিকা এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে হাসপাতাল সম্পর্কে বেশ কিছু অভিযোগও তুলেছিলেন তিনি। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় তাঁকে যথেষ্ট ভালো ভাবে রাখা হচ্ছে। কণিকাকে তারকার মতো নয়, রোগীর মতো ব্যবহার করারও আবেদন করে তারা।