কলকাতা- সাদা রক্তশূন্য মুখ। রক্তাক্ত ঠোঁট, তীক্ষ দাঁত আর কোটরে ঢুকে যাওয়া চোখ। মনে করিয়ে দেয় ব্রাম স্ট্রোকারের ড্রাকুলাকে। এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনই একটি ছবি ভাইরাল। নেটিজেনদের জল্পনাও তুঙ্গে ড্রাকুলার বেশে ইনি কে!

ড্রাকুলার বেশে ইনি হলেন টলি পাড়ার খোকা ওরফে অনির্বাণ ভট্টাচার্য। অবাক হচ্ছেন! আসন্ন ছবি ড্রাকুলা স্যর-এর জন্যই এই লুক অভিনেতার। কিছুদিন আগেও ছবির শ্যুটিং-এর কয়েকটি ছবি প্রকাশ্যে আসে।

সেখানে দেখা যাচ্ছে জলে ভর্তি চৌবাচ্চার মধ্যে শুয়ে রয়েছেন অনির্বাঁণ। তাঁর তীক্ষ দুটি দাঁক বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে রক্ত। আর পিছনে বসে রয়েছেন মিমি চক্রবর্তী। এই ছবিতে তিনি ড্রাকুলা স্যর। কী ভাবছেন, টলিউড এবার ড্রাকুলার সাক্ষী হতে চলেছে! আজ্ঞে না।

অনির্বাণ আসলে এই ছবিতে এক শিক্ষকের ভূমিকায় অভিনয় করছেন। কিন্তু তাঁর গজ দাঁতদুটির জন্যই তিনি ড্রাকুলা স্যর নামেই জনপ্রিয়। কিন্তু শেষে গিয়ে কোথাও একটা ড্রাকুলার সঙ্গে মিলে যায় শিক্ষকের জীবন। এই ছবির পরিচালনা করেছেন দেবালয় ভট্টাচার্য।

লোকসভা নির্বাচনের পরে এই প্রথম কোনও ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে যাদবপুরের সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে। দ্বিতীয়ত এই ছবিতে একেবারেই অন্য ধরনের চরিত্রে দেখা যাবে মিমিকে।

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে সৃজিৎ মুখোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় পুরুষ। এই ছবিতে খোকা-র ভূমিকায় অভিনয় করে রীতিমতো সাড়া ফেলেছেন অনির্বাণ। এই মুহূর্তে টলি পাড়ায় তিনি খোকা নামেই পরিচিত বেশি। এই ছবিটি মুক্তির পরে ড্রাকুলা স্যরও একই রকম সাড়া ফেলে কি না তাই এখন দেখার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।