কলকাতা- করোনা সংক্রমণের আগেই মুক্তি পেয়েছিল রক্তরহস্য-র ট্রেলার। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ১০ এপ্রিল। কিন্তু করোনা মহামারীর জন্য সেই ছবি মুক্তি পায়নি। বন্ধ হয়ে যায় সমস্ত সিনেমা হল। অবশেষে পুজোর মরশুমে সিনেমা হল খোলার অনুমতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আর তাই ২১ অক্টোবর অর্থাৎ পঞ্চমীতেই মুক্তি পাচ্ছে মোট ১২টি বাংলা ছবি। তার মধ্যে রয়েছে সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত ছবি রক্তরহস্য। সম্প্রতি নতুন করে রক্তরহস্য ছবির আরও একটি ট্রেলার মুক্তি পেল। আগের ট্রেলারের মতোই এই ট্রেলার দেখেও আন্দাজ করা যায় ছবির পরতে পরতে রয়েছে রহস্য।

মুক্তির তারিখ অনেকটা পিছিয়েছে বলেই নতুন করে এই ট্রেলার তৈরি করা হয়েছে। সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত এই ছবিতে কোয়েল মল্লিককে দেখা যাবে এক রেডিও জকির চরিত্রে। চরিত্রটির নাম স্বর্ণজা। লক ডাউনের আগে হয়ে গিয়েছিল প্রথম ট্রেলার লঞ্চ।

তখন কোয়েল নিজেই জানিয়েছিলেন, স্বর্ণজা আসলে একজন খুব আবেগপ্রবণ ও নরম মনের মেয়ে। কিন্তু যত কষ্টই হোক সবার সামনে নিজের মুখে হাসি ধরে রাখে সে।

ট্রেলারেও তাই দেখা যাচ্ছে স্বর্ণজা পরোপকারী। মানুষের যে কোনও অসুবিধায় আগে গিয়ে হাত বাড়ায় সে। প্রথম ট্রেলারে তার কাছে একটি শিশুর ফোন আসে। সে বলে, আমি ভগবানের কাছে চিঠি পাঠাতে চাই। এই ফোন কলটিই স্বর্ণজার জীবন বদলে দেয়। কী ভাবে বদলায় সেই চাপান উতরও রয়েছে গোটা ট্রেলার জুড়ে। তাই ট্রেলারের শেষ পর্যন্ত চোখ সরানো বেশ মুশকিল।

দ্বিতীয় ট্রেলারটিও একই ভাবে রহস্য ধরে রেখেছে যার ফলে কৌতুহল বাড়ে যথেষ্ট। এছাড়াও ছবিতে রয়েছে বেশ কিছু অ্যাকশন দৃশ্য। ছবির নাম থেকেই বোঝা যায়, ছবিতে রক্তের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে রহস্য। রক্তের সম্পর্ক বলতে মা, বাবা, ভাই, বোন বা পরিজনদেরই বোঝায়। কিন্তু রক্তদান করলেও তো রক্তের সম্পর্কই তৈরি হয়! কারণ রক্ত দান করলে এক জনের রক্ত আর একজনের শরীরে বইতে থাকে।

এই ভাবনাতেই তৈরি হয়েছে রক্তরহস্য ছবির বুনন। এই ছবিতে মিতিন মাসি ও সাগরদ্বীপে যকের ধনের পরে আবার কোয়েলকে নতুন ধরনের চরিত্রে দেখা যাবে।

রক্তরহস্য-এ কোয়েলের ভাইয়ের চরিত্রে রয়েছেন ঋতব্রত মুখোপাধ্যায়। এছাড়া রয়েছেন শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়, লিলি চক্রবর্তী, চন্দন রায় সান্যাল, কাঞ্চনা মল্লিকও। ছবিতে সঙ্গীতের বড় ভূমিকা রয়েছে। সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন দেবদীপ মুখোপাধ্যায় ও নবারুন বসু। দেবদীপের আমার একতারাটার সুরগুলো খুব একা গানটি ইতিমধ্যেই হিট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।